তাসাউফ
প্রশ্ন
এক আলেম ববলেছেন আমাদের নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইসলাম কবুল এর বাইয়াত নিতেন, রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে বাইয়াত নিতেন, নবি হিসেবে বাইয়াত নিতেন। তার ইন্তেকাল এর পর খুলাফায়ে রাশেদিন খলিফা হিসেবে বাইয়াত নিতেন। এছারা তারা কখন কাওকে বাইয়াত করেন নি। সুন্নাহ এ বলা আছে আলেম উলামা দের সহবত নিতে। তাসাওফ এর বাইয়াত কোনো সাহাবি করছে এমন দলিল নাই। তাই আমরা আলেম দের সহবত নিব, তাদের দিয়ে তাযকিয়া করাব। এগুলা সুন্নাহ সম্মত। কিন্তু প্রচলিত বাইয়াত তা হুবুহু সুন্নাত না। তার এই কথা গুলা কি ভুল ? বিস্তারিত দলিল দিয়ে উত্তর আশা করি হুযুর এর কাছে। এমন কি কোনো দলিল আছে যে সাহাবারা এমন বাইয়াত করাতেন ? আমি কিন্তু তাসাউফ এর বিরুদ্ধতা করছি না, তাযকিয়া র বিরুদ্ধতা করছি না। শুধু প্রচলিত বাইয়াত নিয়ে খটকা আছে।
উত্তর
তাসাওউফের বাইয়াত বলতে বুঝানো হয় যে, বর্তমান হক্কানী পীর মাশায়েখগণ কালিমায়ে শাহাদত পড়িয়ে তারপর বিভিন্ন গোনাহ না করার এবং সওয়াবের কাজ করার একটি অঙ্গীকার করান। এটাকেই মূলত তাসাওউফের বাইয়াত বলা হয়ে থাকে।
আর ইসলাম গ্রহণের বাইয়াত, জিহাদের বাইয়াত, রাষ্ট্রপ্রধানের বাইয়াত ইত্যাদি ছাড়াও আত্মশুদ্ধির জন্যও নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবাগণ থেকে বাইয়াত গ্রহণ করেছেন। যা নিরেট আত্মশুদ্ধির বাইয়াত। হাদীসের মাঝে এমনটি পরিস্কারই পাওয়া যায়। সুতরাং তাসাওউফের বাইয়াতকে সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয়, এমনটি বলার কোন সুযোগ নেই। বরং এ আয়াত অবশ্যই সুন্নাহ সম্মত।
حَدَّثَنِي الْحَبِيبُ الْأَمِينُ، أَمَّا هُوَ فَحَبِيبٌ إِلَيَّ، وَأَمَّا هُوَ عِنْدِي، فَأَمِينٌ عَوْفُ بْنُ مَالِكٍ الْأَشْجَعِيُّ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، تِسْعَةً أَوْ ثَمَانِيَةً أَوْ سَبْعَةً، فَقَالَ: «أَلَا تُبَايِعُونَ رَسُولَ اللهِ؟» وَكُنَّا حَدِيثَ عَهْدٍ بِبَيْعَةٍ، فَقُلْنَا: قَدْ بَايَعْنَاكَ يَا رَسُولَ اللهِ، ثُمَّ قَالَ: «أَلَا تُبَايِعُونَ رَسُولَ اللهِ؟» فَقُلْنَا: قَدْ بَايَعْنَاكَ يَا رَسُولَ اللهِ، ثُمَّ قَالَ: «أَلَا تُبَايِعُونَ رَسُولَ اللهِ؟» قَالَ: فَبَسَطْنَا أَيْدِيَنَا وَقُلْنَا: قَدْ بَايَعْنَاكَ يَا رَسُولَ اللهِ، فَعَلَامَ نُبَايِعُكَ؟ قَالَ: «عَلَى أَنْ تَعْبُدُوا اللهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا، وَالصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ، وَتُطِيعُوا – وَأَسَرَّ كَلِمَةً خَفِيَّةً – وَلَا تَسْأَلُوا النَّاسَ شَيْئًا» فَلَقَدْ رَأَيْتُ بَعْضَ أُولَئِكَ النَّفَرِ يَسْقُطُ سَوْطُ أَحَدِهِمْ، فَمَا يَسْأَلُ أَحَدًا يُنَاوِلُهُ إِيَّاهُ