নফল নামায

মুফতী মনসূরুল হক সাহেব৭ অক্টোবর, ২০২৪নামায

প্রশ্ন

(ক) পাক অবস্থায় নফল নামায যত ইচ্ছা পড়া যাবে কি-না?

(খ) তাহাজ্জুদ, ইশরাক, চাশত ও সালাতুত তাসবীহ নফল না, সুন্নাতের নিয়তে পড়তে হয়?

(গ) বিতরের নামায পড়ে শুয়ে গেলে ভোর রাতে তাহাজ্জুদ পড়া যাবে কি-না?

উত্তর

(ক) হ্যাঁ, মাকরূহ ওয়াক্ত না হলে নামায যত ইচ্ছা পড়া যায়। [প্রমাণ: ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১:৪০ # বেহেশতী যেওর ২:২৯]

তবে সারা দিনে কখন কত রাক’আত নফল, কিভাবে পড়তে হবে তা কোন হক্কানী আলেম বা মুফতী সাহেব-এর নিকট থেকে ভালোভাবে জেনে নিন।

(খ) তাহাজ্জুদ, ইশরাক ও সালাতুত তাসবীহ শুধু উক্ত নামাযের নিয়তে পড়লেই হয়ে যাবে। যেমন- বলতে হবে দুই রাক’আত ইশরাক পড়েছি। সুন্নাত বা নফল বলার প্রয়োজন নেই। একান্ত বলতে হলে, যে কোনটাই বলতে পারেন। কারণ, উক্ত নামায সুন্নাতে গাইরে মু’আক্কাদাহ। যাকে নফলও বলা যায়। [প্রমাণ: আহসানুল ফাতাওয়া ৩:৪৫৫]

(গ) তাহাজ্জুদের অর্থ হল রাত্রে ঘুম থেকে উঠে নামায পড়া। তবে উত্তম হল শেষ রাত্রে আট রাক’আত বা বার রাক’আত নফল নামায পড়া এবং সুবহে সাদিকের পূর্বে শেষ করা। যদি কেউ বিতরের নামায পড়ে শুয়ে পড়ে এবং শেষ রাত্রে তাহাজ্জুদ পড়ে, এতে কোন অসুবিধা নেই। বস্তুতঃ যারা নিয়মিত উঠতে পারে, শেষ রাত্রে উঠতে কোন অসুবিধা হয় না, তাদের জন্য তাহাজ্জুদের পরে বিতর পড়া ভালো, জরুরী নয়। [প্রমাণঃ হিদায়া ১:৮৪ # বেহেশতী যেওর ২:৩০]

নফল নামায | ইসলামী যিন্দেগী