আমানতের খেয়ানত
প্রশ্ন
আমাদের কে সরকার থেকে ভর্তুকি দিয়ে কেরোসিন তেল দেয় । তার জন্য প্রতি জনের রেশন কার্ড ও আছে । এই তেল সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে রেশন ডিলার গন সরকারি দরে বণ্টন করেন । বেশ কয়েক বছর আগে আমাদের গ্রামের মাতব্বর গন এই ডিলার কে বলে যে মসিজদ কে ভর্তুকি দরে কেরোসিন দিতে হবে । সেই ডিলার মসজিদ কে কেরসিন দেয়। মসজিদ কমিটিও প্রতি সপ্তাহে কেরসিন জমা করে, এবং অনেক কেরোসিন জমা করে বাজার দরে বিক্রি করে,বেশ ভালই মুনাফা হয়। তাছাড়া ঐ কেরোসিন গরম কালে মসজদের ডায়নামো চালায়ে নামাজ ও পড়া হয় ।
প্রশ্ন হল এই কেরোসিন কি মসজিদ নিতে পারে ? যেহেতু মসজিদের নামে সরকার প্রদত্ত কোন রেশন কার্ড নাই । যদিও এখন সেই রেশন ডিলার কে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে আমি স্বেচ্ছাই দিই । অথচ এই কেরসিন তার নিজের ও না। মানুষের নাম ভিত্তিক কেরোসিন আসে। সে কিভাবে সেচ্ছায় দিতে পারে ? আবার যদি সে বিনা পয়সায় দিত তাও না, ভর্তুকি দরে পয়সা নেয় । তাছাড়া তার নিজের জিনিস ছাড়া দান করা ও চলেনা ।
উত্তর
সরকারী রেশন ডিলারের জন্য যথার্থ হকদারকে উক্ত কেরোসিন না দিয়ে অন্যত্র দেয়া যেমন খেয়ানতের গোনাহগার হচ্ছে। তেমনি মসজিদ কর্তৃপক্ষ জেনে শুনে অবৈধ তেল গ্রহণ করেও গোনাহগার হচ্ছে।
মসজিদে এমন হারাম উপায়ে অর্থ গ্রহণ সম্পূর্ণরূপে নাজায়েজ। তাই এহেন কাজ থেকে মসজিদ কর্তৃপক্ষে দ্রুত বিরত থাকা আবশ্যক।
لا يجوز لأحد أن يتصرف فى ملك الغير بغير إذنه (شرح المجلة-1\61، رقم-96)
لا يجوز لأحد أن يأخذ مال أحد بلا سبب شرعى (قواعد الفقه-110، رقم-269، الموسوعة الفقهية الكويتية-21\112، 28\264، 37\354، مجلة الأحكام العدلية-1\27)
ما حرم أخذه حرم إعطائه الخ (الأشباه والنظائر، قديم-229)
لا يجوز لأحد من المسلمين أخذ مال أحد بغير سبب شرعى (الفتاوى الهندية، قديم-2\167، جديد-1\181، البحر الرائق-5\68، رد المحتار، زكريا-6\106، كرتاشى-4\61)
امالوأنفقفىذلكمالاخبيثاومالاسببهالخبيثوالطيبفيكره،لأناللعتعالىلايقبلإلاالطيب،فيكرهتلويثبيتهبمالايقبله (ردالمحتار،كتابالصلاة،بابمايفسدالصلاةومايكرهفيهاقبيلمطلبفىأفضلالمساجد،زكريا-2\431،كرتاشى-1\658)