কেউ কথা না বললে করণীয়

মুফতী মনসূরুল হক সাহেব১৪ আগস্ট, ২০২৫সামাজিকতা আচার ব্যবহার ও রাজনীতি

প্রশ্ন

জনৈক দ্বীনদার ব্যক্তির সাথে আমার খুবই অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব ছিল। কিছুদিন আগে সামান্য একটি কারণে তিনি আমার সাথে সম্পর্ক ছেড়ে দিয়েছে। আমি সালাম করলে তিনি অগত্যা মুখ কালো করে সালামের জবাব দেন। কিন্তু আমি কথা বলতে চাইলে, তিনি পাশ কেটে চলে যান। আজ প্রায় দু‘মাস থেকে তাঁর সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও বিফল হয়েছি। অথচ হাদীসে রয়েছে যে, কোন মুসলমানের জন্য তার অপর মুসলমান ভাইয়ের সাথে ৩ দিনের বেশী সম্পর্ক ছিন্ন রাখা হারাম। তবে এখন আমার করণীয় কি? যদি চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পরে আমি তাঁর সাথে কথা বলা ছেড়ে দেই। তাহলে আমি কি উক্ত হারামের অন্তর্ভুক্ত হব?

উত্তর

কোন মুসলমানের জন্য অপর ভাইয়ের সাথে দুনিয়ার কোন কারণে অসন্তুষ্ট হয়ে তার সাথে তিন দিনের উর্ধ্বে কথা বলা বন্ধ রাখা হারাম, তা সত্য। হাদীসে এসেছে, কোন মুসলমানের জন্য তার ভাইয়ের থেকে তিনদিনের বেশী সম্পর্ক ছিন্ন করে থাকা হালাল নয়। এই হাদীসের দৃষ্টিতে উক্ত ব্যক্তি অন্যায় করেছে এবং আপনার উপর জুলুম করেছে। তবে আপনি যে সালাম দিচ্ছেন এবং কথা বলতে চেষ্টা করছেন, এতে আপনি দায়িত্ব মুক্ত হয়েছেন। আপনি গুনাহগার হবেন না। সুতরাং, ভবিষ্যতে সালাম জারী রাখবেন। হয়ত সে নিজের ভুল বুঝে সংশোধন হয়ে যাবে। আর যদি সে দ্বীনি কোন কারণে আপনার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করে থাকে তা জেনে নিয়ে আপনি সংশোধন হয়ে গেলে আশা করি আর কথা বন্ধ রাখবে না। [প্রমাণঃ মিশকাত ২:৪২৮ ও মিরকাত ৯:২৬৯]

কেউ কথা না বললে করণীয় | ইসলামী যিন্দেগী