প্রাইজ বন্ড ও লটারী
প্রশ্ন
(ক) ইসলামের দৃষ্টিতে প্রাইজ বন্ড ও ডায়াবেটিক লটারী জায়েয কিনা?
(খ) টিভিতে প্রচারিত ইসলামী অনুষ্ঠান উজ্জীবন এ লটারীর মাধ্যমে প্রশ্নের সঠিক উত্তর দাতাদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান নির্ণয় করা হয়। এ সষ্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি কি?
উত্তর
(ক) প্রাইজ বন্ড ও ডায়ারেটিক লটারীর পুরষ্কার গ্রহণ করা জায়েয নয়। বরং উক্ত পুরষ্কার সুদ ও জুয়ার মধ্য শামিল।
(খ) সঠিক উত্তর দাতাদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরনের জন্য লটারীর মাধ্যমে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় নির্ণয় করা জায়েয আছে এবং উক্ত সুরতে কোন অসুবিধা না থাকায় পুরষ্কার গ্রহণ করাও জায়েয আছে।
তবে মনে রাখতে হবে, টেলিভিশন রাখা, দেখা, দেখানো ও টেলিভিশনে কোন কিছু শুনা বা শুনানো নাজায়িয ও হারাম। কারণ- বর্তমানে টেলিভিশনে ব্যাপকভাবে বেহায়া, অশ্লীন ও অবৈধ প্রোগ্রাম হয়ে থাকে। যা সম্পূর্নরূপে শরী‘আত পরিপন্থী। যেমন, প্রানীর ফিল্ম, ছবি-বাজনা, খেলা-তামাশা, নাচ-গান, বেগানা-বেপর্দা মেয়েলোক ও ছতরহীন খেলোয়াড়দেরকে দর্শন করা প্রভৃতি। টেলিভিশনের মালিকের আমলনামায় টেলিভিশন দেখার ও সকল দর্শকের গুনাহর সমপরিমাণ গুনাহ লিখা হবে। আর দর্শকের আমলনামায় তার একার গুনাহ লেখা হবে।
শরী‘আত যে সমস্ত জিনিসকে হারাম ঘোষণা করেছে তা সর্বাবস্থায় হারাম। চাই দুনিয়ার কাজের জন্য হোক, চাই দ্বীনের কাজের জন্য হোক। দ্বীনের প্রচারের জন্য আল্লাহ তা‘আলা কোন হারাম কাজের সাহায্য নিতে বলে নি। তাছাড়া হারামের সাহায্যে কখনো দ্বীনের প্রচার হতে পারে না। বরং দ্বীনের দাফন হতে পারে। সুতরাং, ইসলাম প্রচারের স্বার্থে হলেও কোন জানদার প্রাণীর ছবি বা ভিডিও করা বা তা সিনেমা- টেলিভিশনে দেখানো নাজায়িয।