কুরবানী ওয়াজিব হওয়ার সামর্থ্য
প্রশ্ন
যদি কারও বিয়েতে বাবা এবং শ্বশুরবাড়ি থেকে দেয়া স্বর্নের পরিমান এক /দেড় ভড়ির মত হয় বা এর চাইতেও বেশি। জানামতে রূপার নেসাব পরিমান না। ক্যাশ আছে মোহরানার বিশ হাজার টাকা, হজ্জ এর উদ্দেশ্যে। এছাড়া মেয়ের আর কোনো সামর্থ্য নেই, ইচ্ছা হলেও কুরবানি করার মত টাকাটা পারছেই না জোগাড় করতে। এক্ষেত্রে কুরবানি না করতে পারলে কি গুনাহ হবে? এক্ষেত্রে তার করনীয় কী?
উত্তর
বিয়ে বা যেকোন মাধ্যমে মহিলা যে স্বর্ণ এর মালিক তা বিশ হাজারের সাথে মিলিয়ে যদি রৌপ্য এর নেসাব পরিমাণ হয়ে যায়, এবং তা আবশ্যকীয় প্রয়োজন ও ঋণমুক্ত হয়, তাহলে উক্ত মহিলার উপর কুরবানী করা আবশ্যক।
কুরবানী না করলে গোনাহ হবে। স্বতন্ত্র কুরবানী দিতে সক্ষম না হলে কুরবানীযোগ্য কমমূল্যের গরুতে ভাগে শরীক হতে পারে, বা বকরী ইত্যাদি কুরবানী দিতে পারে। কুরবানী ওয়াজিব থাকা অবস্থায় কুরবানী না দেয়া গোনাহের কাজ।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ كَانَ لَهُ سَعَةٌ، وَلَمْ يُضَحِّ، فَلَا يَقْرَبَنَّ مُصَلَّانَا
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানী করে না, সে যেন আমাদের ঈদের মাঠের কাছেও না আসে। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-৩১২৩]
)وَأَمَّا) (شَرَائِطُ الْوُجُوبِ) : مِنْهَا الْيَسَارُ وَهُوَ مَا يَتَعَلَّقُ بِهِ وُجُوبِ صَدَقَةِ الْفِطْرِ دُونَ مَا يَتَعَلَّقُ بِهِ وُجُوبُ الزَّكَاةِ،………. وَالْمُوسِرُ فِي ظَاهِرِ الرِّوَايَةِ مَنْ لَهُ مِائَتَا دِرْهَمٍ أَوْ عِشْرُونَ دِينَارًا أَوْ شَيْءٌ يَبْلُغُ ذَلِكَ سِوَى مَسْكَنِهِ وَمَتَاعِ مَسْكَنِهِ وَمَرْكُوبِهِ وَخَادِمِهِ فِي حَاجَتِهِ الَّتِي لَا يَسْتَغْنِي عَنْهَا، فَأَمَّا مَا عَدَا ذَلِكَ مِنْ سَائِمَةٍ أَوْ رَقِيقٍ أَوْ خَيْلٍ أَوْ مَتَاعٍ لِتِجَارَةِ أَوْ غَيْرِهَا فَإِنَّهُ يُعْتَدُّ بِهِ مِنْ يَسَارِهِ، (الى قوله) وملك نصابا تجب عليه الاضحية، (إلى قوله) وجميع ما ذكرنا من الشرائط يستوى فيه الرجل والمرأة (الفتاوى الهندية، كتاب الأضحية، فصل شرائط الوجوب-5/292، رد المحتار، كتاب الاضحية-9/452-453، مجمع الانهر-4/167