সমস্ত কাজ সহজ হওয়ার দু‘আ
لَقَدۡ جَآءَکُمۡ رَسُوۡلٌ مِّنۡ اَنۡفُسِکُمۡ عَزِیۡزٌ عَلَیۡہِ مَا عَنِتُّمۡ حَرِیۡصٌ عَلَیۡکُمۡ بِالۡمُؤۡمِنِیۡنَ رَءُوۡفٌ رَّحِیۡمٌ* فَاِنۡ تَوَلَّوۡا فَقُلۡ حَسۡبِیَ اللّٰہُ ۫ ٭ ۖلَاۤ اِلٰہَ اِلَّا ہُوَ ؕ عَلَیۡہِ تَوَکَّلۡتُ وَہُوَ رَبُّ الۡعَرۡشِ الۡعَظِیۡمِ *
আয়াতের তরজমা: তোমাদের কাছে এসেছেন তোমাদের মধ্য হতে এক মহা মর্যাদাবান রাসূল ﷺ যিনি তোমাদের ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপথগামী হওয়ায় খুবই উদ্বিগ্ন এবং সংকর্মের প্রতি ধাবমান হওয়ায় বড়ই আশাবান। তিনি মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়ালু। তারপরও যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে (হে রাসূল! তাদেরকে) বলে দাও, আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি ছাড়া কোনও মাবুদ নেই। তারই উপর আমি ভরসা করেছি এবং তিনি মহা আরশের মালিক। (সূরা তাওবা ১২৮-১২৯)
আয়াতদ্বয়ের ফযীলত: হযরত আবুদ্দারদা রাযি. হতে এই আয়াতের ফযীলত সম্পর্কে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, সূরা তাওবার শেষ দু’টি আয়াত যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা তিলাওয়াত করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার সমস্ত কাজ সহজ করে দিবেন।
তাফসীর: হযরত উবাই ইবনে কা’ব রাযি.-এর মতে, এই আয়াতদ্বয় কুরআনের সর্বশেষ আয়াত। অর্থাৎ এর পরে আর কোন আয়াত নাযিল হয়নি। অবশ্য এ ব্যাপারে সাহাবীগণের রাযি. মধ্যে ইখতিলাফ রয়েছে।
(ইসলামী যিন্দেগী কিতাব পৃষ্ঠা ৪১৭)