৩৭৫. আল্লাহর ওলী হওয়া ফরযে আইন

মাওলানা আব্দুল মতিন বিন হুসাইন সাহেব (ঢালকানগর)৬ অক্টোবর, ২০২৪আল্লাহওয়ালা

হযরত মাওলানা আব্দুল মতীন সাহেব বলেন, সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ওফাতের পর সব সময় সাহাবীদের মধ্যে যারা বড়, তাঁদের সুহবতে গিয়ে বসতেন। তাঁদের সঙ্গে উঠা-বসার চেষ্টা করতেন। যাঁকেই দেখতেন যে ইনি আরেক সাহাবী, তো তার সঙ্গে কিছু সময় বসতেন যে, ইনি আসমানী বড় লাইটওয়ালা, বড় নূরওয়ালা, অনেক বেশি আসমানী দৌলতওয়ালা। তো তার সঙ্গে বসতেন, যেন তার রুহের নূর দ্বারা আমি নূরান্বিত ও আলোকিত হতে পারি। উম্মতের মধ্যে আজকে এই জিনিস এত কমে গেছে যে, শুধু সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে না, আলেমদের বিশাল এক অংশের মধ্যেও অবস্থা তৈরি হয়েছে যে, কোন আউলিয়া-বুযুর্গানের সুহবতে যাওয়ার কোনো সময় নেই। খালি দেশব্যাপী ঘোরা আর ওয়াজ করা, খালি বই-পুস্তক লেখা, খালি অন্যদেরকে দ্বীন বোঝানো, দ্বীন শেখানো। নিজের রুহের মধ্যে নূর পয়দা করা এবং নিজের তা‘আল্লুক মা‘আল্লা অর্জন করা, আল্লাহর ওলী হওয়া, যেটা ফরযে আঈন; তার জন্য কোন চেষ্টা নাই। ফুকাহায়ে কেরাম বলেছেন যে, পাঁচ ওয়াক্ত নামায যেমন ফরযে আঈন, রমাযানের রোযা যেরকম ফরযে আঈন, অনুরূপভাবে প্রত্যেক মুসলমানের প্রত্যেক মানুষের আল্লাহর ওলী হওয়াও ফরযে আইন।