৩৯৮. দীনের দাওয়াত দেয়া ফরজে কেফায়া
মাঠে-ময়দানে দ্বীনের কথা বলা, তাবলীগ করা, দ্বীনের দাওয়াত দেয়া, ওয়াজ করা, নসিহত করা এটা কোন ফরযে আঈন আমল না যে, প্রত্যেককে এটা করতে হবে, প্রত্যেককে গিয়ে ওয়াজ করতে হবে, প্রত্যেককে গিয়ে কাফের মুশরিকদেরকে দ্বীনের দাওয়াত দিতে হবে, প্রত্যেকে গিয়ে গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য বয়ান করতে হবে এবং সুন্নতের দাওয়াত দিতে হবে, নামাজের দাওয়াত দিতে হবে রোজার দাওয়াত দিতে হবে। এটা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ না, বরং ফরজে কেফায়া।
وَلۡتَكُن مِّنكُمۡ أُمَّةࣱ یَدۡعُونَ إِلَى ٱلۡخَیۡرِ وَیَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَیَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِۚ
হে মুসলমান! তোমাদের মধ্য থেকে একটা জামা‘আত থাকতে হবে যারা আল্লাহর দ্বীনের দিকে ডাকবে, দ্বীনের দাওয়াত দিতে থাকবে, দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ করতে থাকবে।
সে দ্বীনের দাওয়াতের বিষয়টা হবে এই যে, ইসলামের যে কথাগুলো যেগুলো পালন করতে হবে সেগুলোর কথা তারা বলবে। কুরআন সুন্নাহর আলোকে, ইসলামী শরী‘আতে, দ্বীনের মধ্যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নজরে যে কাজগুলো নিষিদ্ধ সে নিষিদ্ধ কাজগুলো থেকে বিরত থাকতে তাঁরা বলবে। এই হলো দাওয়াত ইলাল্লাহ।
এই আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, “তোমাদের মধ্য থেকে” এতে কি সব মুসলমানদের উপর ফরজ করলেন আল্লাহ? নাকি একটা জামা‘আতের উপর ফরজ করে দিয়েছেন?