৩৭২. ছবি তোলার ভয়ঙ্কর ক্ষতি

মাওলানা আব্দুল মতিন বিন হুসাইন সাহেব (ঢালকানগর)৬ অক্টোবর, ২০২৪ঈমান আক্বাইদ, গুনাহ শিরক কুফর ও বিদ‘আত

হযরত মাওলানা আব্দুল মতীন সাহেব বলেন, শাহ ওলীউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলবী রহ. আল-ফাওযুল কাবীর কিতাবে বলেন যে, পূর্বযুগে মানুষ নিজের নবী-রাসূলদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে, বড় বড় আউলিয়া-বুজুর্গানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তাদের ছবি রাখতো!। কিছু একটা বানিয়ে রাখতো। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কারণে কোন আকৃতি বানিয়ে সেটাকে যত্নের সাথে রাখতো।

আহা! আমার হুজুরের ছবি! আমার নবীর ছবি! আহা! আমার নবীর সাচ্ছা অনুসারী অমুক ওলীর ছবি। অমুক আলেমেদ্বীন আল্লাহওয়ালার ছবি!

কিছুদিন পরে একটা সময় পার হয়ে গেলে ঐ মানুষ দ্বীন, ঈমান, আমল এবং ইবাদত-বন্দেগী ভুলতে থাকতো আর আল্লাহর হুকুম থেকে দূরে সরতে থাকতো। এক সময় তারা শ্রদ্ধা করতো ছবি দেখে দেখে। একটা সময় পর আর তাদের মন ভরে না। তখন ঐটাকেই সেজদা করা শুরু করতো। পরে ঐটাকেই মাবূদ এবং উপাস্য বানিয়ে নিতো। মাবূদের পজিশন দিয়ে দিতো। এভাবে তাদের মধ্যে ছবির ইবাদত শুরু হয়ে যেতো। যেটা কখনো প্রতিমা বানিয়ে ইবাদত-বন্দেগী শুরু করতো।

তো ছবির মহব্বত, মোহ এই ছোট জিনিসটা যেহেতু আস্তে আস্তে বড় ধ্বংসাত্মক পাপ ও শিরকের দিকে তাকে নিয়ে যায়, এজন্য গোড়া থেকেই এটাকে নির্মূল করে দেওয়া হয়, যেন এটার সাথে কোনভাবেই যুক্ত না হয়। আল্লাহ জাল্লা জালালুহু এই খারাপ জিনিস থেকে দূরে সরার জন্য এবং বাঁচার জন্য আমাদেরকে এবং সব মুসলমানকে তাওফীক দান করেন।