খতমে তারাবীহর পর মিষ্টি বিতরণ করা

মুফতী মীযানুর রহমান কাসেমী সাহেব (রাহমানিয়া)১৬ মার্চ, ২০২৫নামায, কুফর শিরক বিদ‘আত কুসংস্কার অপসংস্কৃতি

প্রশ্ন

দেশের বিভিন্ন মসজিদে দেখা যায় যে, ২৭শে বা ২৯শে রমজানে খতমে তারাবীর পর মিষ্টি বিতরণ করা হয়। কোথাও এজন্য মুসল্লীদের থেকে চাঁদা নেয়া হয়, কোথাও কেউ এককভাবেও দিয়ে থাকে আবার কোন কোন মসজিদে তো ওয়াকফের টাকা দিয়ে খরীদ করা হয়। এ ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কি?

উত্তর

এ ভাবে মিষ্টি বিতরণ করার মধ্যে বেশ কিছু দোষনীয় ও ক্ষতিকর দিক রয়েছে, যথাঃ

(১) এ জাতীয় কাজকে একটি স্বতন্ত্র সাওয়াবের বিষয় মনে করা হয়, যা শরী‘আত বহির্ভূত

(২) এ জাতীয় কাজকে এমন অপরিহার্য্য মনে করা হয় যে, কোন অবস্থাতেই এই প্রথাকে বাদ দেয়া সম্ভব হয় না। এতে করে এটা বিদআতের পর্যায়ে পৌছে যায়।

(৩) ওয়াকফের আমদানী থেকে এ জাতীয় কাজে অর্থ ব্যয় করা জায়েয নেই। কেননা এ জাতীয় কাজ মসজিদের ব্যয়-খাতের অন্তর্ভুক্ত নয়।

(৪) শরয়ী কোন প্রয়োজন ব্যতীত চাঁদা আদায় করা জায়েয নাই। কেননা এতে পবিত্র কুরআনের বেহুরমতি হয়। এসব ছাড়াও মসজিদে হৈ-হল্লা, ঠেলা- ঠেলী ধাক্কাধাক্কী এবং হাতাহাতিও হতে দেখা যায়। এসব কারণে এই প্রথা বাতিল করা উচিৎ। (আহসানুল ফাতাওয়া-১-৩৭)

খতমে তারাবীহর পর মিষ্টি বিতরণ করা | ইসলামী যিন্দেগী