শরী‘আতের দৃষ্টিতে তাবীজ কবচ
প্রশ্ন
আমাদের দেশে তাবীজ কবচের অনেক প্রচলন দেখা যায়। কোন কোন জায়গায় এটাকে আবার বিদআত ও শিরক মনে করা হয়। কোনটি ঠিক?
উত্তর
তাবীজ-কবচে একটা আছর ও প্রভাব অবশ্যই হয়। কিন্তু সেটা আল্লাহর হুকুমে। কাউকে ক্ষতি করা। নিয়তে যদি তাবীজ কবচ করা হয় তাহলে সেটা যাদুর হুকুমে পড়বে। অর্থাৎ করা ও করানো উভয়টাই হারাম ও কবীরা গুনাহ। বরং কোন সময় কুফরীর আশংকা ও দেখা দিতে পারে। তবে কোন জায়েয উদ্দেশ্যে যদি তাবীজ ব্যবহার করা হয় তাহলে সেটা জায়েয এই শর্তে যে, তাতে কুফরী ও শিরকী কোন বিষয় না থাকতে হবে। মোদ্দা কথা তাবীজ-কবচ জায়েয হওয়ার জন্য তিনটি শর্তঃ (১) কোন বৈধ প্রয়োজনের জন্য হতে হবে (২) তার শব্দগুলি কুফরী ও শিরকী না হতে হবে এবং এমন শব্দ না হতে হবে যার মতলব বুঝা যায় না (৩) সেটাকে সরাসরি ক্ষতিকারক বা উপকারী মনে করা যাবে না। এই শক্তি আল্লাহর হাতে বলে বিশ্বাস করতে হবে। (আপকে মাসাইল-১/৩৫০)