হিন্দুর দোকানের মিষ্টি বা হিন্দুর রান্না করা খানা খাওয়া

মুফতী মীযানুর রহমান কাসেমী সাহেব (রাহমানিয়া)৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫কুরবানী ও আক্বিকা

প্রশ্ন

হিন্দুদের হাতে রান্না করা খানা, তাদের তৈরী মিষ্টান্ন ইত্যাদি পাক না নাপাক? মুসলমানদের জন্য ঐগুলি খাওয়া কেমন?

উত্তর

যতক্ষণ পর্যন্ত নিশ্চিত ভাবে এটা জানা না যায় যে, খানা পাকানেওয়ালা কাফেরের হাত বা বরতন না পাক ছিল ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের রন্ধনকৃত খানা, মিষ্টি জায়েয। আর যদি নাপাক হওয়া সম্বন্ধে জানা যায় তাহলে নাপাক। এবং এটা শুধু বিধর্মীদের সাথেই খাছ না বরং কোন মুসলমান যদি নাপাক বরতনে বা নাপাক হাতে খানা ইত্যাদি রান্না করে তাহলে তারও একই হুকুম। এখানে আসল কথা হল কুফর শিরক একটা আত্মিক অপবিত্রতা। বাহ্যিক পবিত্রতা এর সাথে সম্পৃক্ত না, নবীয়ে করীম ﷺ নিজেও কাফেরের রান্না খেয়েছেন। এবং এই সম্বন্ধেই ঘটনা মশহুর আছে যে, জনৈক ইহুদী মহিলা তাঁকে খানা খাইয়েছিল যাতে বিষ মিশ্রিত ছিল। মোদ্দা কথা হল, কাফের সে হিন্দু হোক বা খৃস্টান হোক তার হাতের রান্না বাহ্যিকভাবে পাক। কিন্তু হিন্দুরা যেহেতু মুসলমানদেরকে ছোট নজরে এবং ঘৃণার চোখে দেখে তাই আত্মমর্যাদাবোধের তাকাজা হল বিনা প্রয়োজনে তাদের জিনিষ কিনবে না। তাছাড়া অন্যান্য বিধর্মীদের তুলনায় হিন্দুরা কিছুটা বেশী অপরিস্কার থাকে। সুতরাং তাদের তৈরিকৃত জিনিস থেকে দূরে থাকা খুবই উত্তম। কিন্তু তাই বলে সেটা না জায়েয বা নাপাক হওয়ার ফতওয়া দেয়া যাবে না। (ইমদাদুল মুফতীন- ১০১৫)

হিন্দুর দোকানের মিষ্টি বা হিন্দুর রান্না করা খানা খাওয়া | ইসলামী যিন্দেগী