জামি‘আ ইবনে মাসউদ রাযি.

দান সদকা করার ব্যবস্থা

১. যে কোন দান গ্রহণ করা হয়। অনেকেই দু-চার দশ বিশ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০/১০০০ টাকা দান করতে চান কিন্তু দান করার সহজলভ্য ব্যবস্থা না থাকায় দান করা হয় না। তাই বিকাশের মাধ্যমে দান করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

২. যাকাত ফিতরা দান করলে তা গ্রহণ করা হয়। লিল্লাহফান্ডে যাকাত-ফিতরা, মান্নত, কাফফারা, ফিদয়া ও কুরবানীর চামড়া বা তার মূল্য গ্রহণ করা হয় এবং তা অসহায়, এতিম ও অভাবী ছাত্রদের খানা, চিকিৎসা ও জরুরী প্রয়োজনে খরচ করা হয়।

৩. যাদের ব্যাংকে জমানো টাকার উপর সুদ আসে, তারা চাইলে মাদরাসার টয়লেটের কাজে ব্যবহারে জন্য তা দান করতে পারেন।

৪. যদি কোন ১ জন বা একের অধিক ছাত্রের থাকা-খাওয়ার খরচ বহন করতে চান তাহলে এরও ব্যবস্থা রয়েছে। অনেকে কোন এক/দু্ই জন মক্তবের ছেলের হাফেজ হওয়ার আগ পর্যন্ত বা ২/১ বছর তার লেখা-পড়ার খরচ বহন করতে আগ্রহী থাকেন। এর ব্যবস্থা উক্ত মাদরাসায় রয়েছে।

৬. মাদরাসার আজীবন সদস্য হওয়ার মাধ্যমে, মাসিক বা বাৎসরিক নির্দিষ্ট হারে কোন চাঁদা দেয়ার ব্যবস্থা আছে।

৭. এছাড়া কেউ যদি ব্যাক্তিগতভাবে নিজের সুবিধামতো কোন নিয়মে মাদরাসায় দান করতে চান এরও সুব্যবস্থা রয়েছে।

নোট:

১. মাদরাসার রশিদ ছাড়া কোথাও কাউকে টাকা দিবেন না।

২. বিকাশের মাধ্যমে হোক বা ব্যাংকের মাধ্যমে, নিজের নাম, ঠিকানা পরিমাণ উল্লেখ করে মাদরাসা কতৃপক্ষকে এসএমএস করুন বা ইমেইল করুন।