كتاب العقيقة

২৬. আকীকা সম্পর্কিত অধ্যায়

অধ্যায় ২৬ · ৭ টি হাদীস

১. আকীকার বর্ণনা

بَاب مَا جَاءَ فِي الْعَقِيقَةِ

১০৬৭

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ رَجُلٍ مِنْ بَنِي ضَمْرَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْعَقِيقَةِ فَقَالَ لَا أُحِبُّ الْعُقُوقَ وَكَأَنَّهُ إِنَّمَا كَرِهَ الْاسْمَ وَقَالَ مَنْ وُلِدَ لَهُ وَلَدٌ فَأَحَبَّ أَنْ يَنْسُكَ عَنْ وَلَدِهِ فَلْيَفْعَلْ

বর্ণনাকারী: বিবিধ

রেওয়ায়ত ১. বনী যামরার জনৈক ব্যক্তি তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন-রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আকীকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হইলে তিনি বলিয়াছিলেন, আমি উকুক* (পিতা মাতার অবাধ্যতা) পছন্দ করি না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এই নামটি পছন্দ করিলেন না। তিনি আরো বলিয়াছিলেনঃ কাহারো সন্তান হইলে সে যদি কিছু কুরবানী করিতে চায় তবে তাহা করিতে পারে।

১০৬৮

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ وَزَنَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَعَرَ حَسَنٍ وَحُسَيْنٍ وَزَيْنَبَ وَأُمِّ كُلْثُومٍ فَتَصَدَّقَتْ بِزِنَةِ ذَلِكَ فِضَّةً

বর্ণনাকারী: বিবিধ

রেওয়ায়ত ২. জাফর ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-তনয়া ফাতিমা (রাযিঃ) হাসান, হুসাইন, যায়নব ও উম্মে কুলসুম (রাযিঃ)-এর মাথার চুল ওজন করিয়া সেই পরিমাণ রৌপ্য খয়রাত করিয়াছিলেন।

১০৬৯

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ أَنَّهُ قَالَ وَزَنَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَعَرَ حَسَنٍ وَحُسَيْنٍ فَتَصَدَّقَتْ بِزِنَتِهِ فِضَّةً

বর্ণনাকারী: আলী ইবনে হুসাইন যাইনুল আবিদীন (রহঃ)

রেওয়ায়ত ৩. মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে হুসায়ন (রাযিঃ) বলিয়াছেনঃ রাসূল (ﷺ)-তনয়া ফাতিমা (রাযিঃ) হাসান ও হুসায়নের মাথার চুল ওজন করাইয়া তত পরিমাণ রৌপ্য খয়রাত করিয়াছিলেন।

২. আকীকার পদ্ধতি

بَاب الْعَمَلِ فِي الْعَقِيقَةِ

১০৭০

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ لَمْ يَكُنْ يَسْأَلُهُ أَحَدٌ مِنْ أَهْلِهِ عَقِيقَةً إِلَّا أَعْطَاهُ إِيَّاهَا وَكَانَ يَعُقُّ عَنْ وَلَدِهِ بِشَاةٍ شَاةٍ عَنْ الذُّكُورِ وَالْإِنَاثِ

বর্ণনাকারী: নাফি‘ (রহঃ)

রেওয়ায়ত ৪. নাফি’ (রাহঃ) বর্ণনা করেন, আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাযিঃ)-এর পরিবারের কাহারও জন্য আকীকার ব্যাপারে সাহায্য প্রার্থনা করিলে তিনি তাহাকে সাহায্য করিতেন এবং তাহার নিজের সন্তানের ব্যাপারে ছেলে বা মেয়ে হউক, প্রত্যেক সন্তানের জন্য একটি করিয়া বকরী কুরবানী দিতেন।*

১০৭১

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يَسْتَحِبُّ الْعَقِيقَةَ وَلَوْ بِعُصْفُورٍ

বর্ণনাকারী: বিবিধ

রেওয়ায়ত ৫. মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম হারিস তায়মী (রাহঃ) বর্ণনা করেন-পিতার নিকট শুনিয়াছি, আকীকা করা তাহার খুবই প্রিয় ছিল, তাহা একটি পাখিও হউক না কেন।*

১০৭২

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّهُ عُقَّ عَنْ حَسَنٍ وَحُسَيْنٍ ابْنَيْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ

বর্ণনাকারী: মালিক ইবনে আনাস (রহঃ)

রেওয়ায়ত ৬. মালিক (রাহঃ) জ্ঞাত হইয়াছেন-আলী ইবনে আবু তালিবের পুত্র হাসান ও হুসায়ন (রাযিঃ) এর আকীকা করা হইয়াছিল।

১০৭৩
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ أَنَّ أَبَاهُ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ كَانَ يَعُقُّ عَنْ بَنِيهِ الذُّكُورِ وَالْإِنَاثِ بِشَاةٍ شَاةٍ
قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا فِي الْعَقِيقَةِ أَنَّ مَنْ عَقَّ فَإِنَّمَا يَعُقُّ عَنْ وَلَدِهِ بِشَاةٍ شَاةٍ الذُّكُورِ وَالْإِنَاثِ وَلَيْسَتْ الْعَقِيقَةُ بِوَاجِبَةٍ وَلَكِنَّهَا يُسْتَحَبُّ الْعَمَلُ بِهَا وَهِيَ مِنْ الْأَمْرِ الَّذِي لَمْ يَزَلْ عَلَيْهِ النَّاسُ عِنْدَنَا فَمَنْ عَقَّ عَنْ وَلَدِهِ فَإِنَّمَا هِيَ بِمَنْزِلَةِ النُّسُكِ وَالضَّحَايَا لَا يَجُوزُ فِيهَا عَوْرَاءُ وَلَا عَجْفَاءُ وَلَا مَكْسُورَةٌ وَلَا مَرِيضَةٌ وَلَا يُبَاعُ مِنْ لَحْمِهَا شَيْءٌ وَلَا جِلْدُهَا وَيُكْسَرُ عِظَامُهَا وَيَأْكُلُ أَهْلُهَا مِنْ لَحْمِهَا وَيَتَصَدَّقُونَ مِنْهَا وَلَا يُمَسُّ الصَّبِيُّ بِشَيْءٍ مِنْ دَمِهَا

বর্ণনাকারী: উরওয়া ইবনে যুবায়র (রহঃ)

রেওয়ায়ত ৭. উরওয়াহ ইবনে যুবাইর (রাহঃ) ছেলে হউক বা মেয়ে, প্রত্যেক সত্তানের জন্য একটি বকরী আকীকা করিতেন।*

মালিক (রাহঃ) বলেনঃ আকীকার বিষয়ে আমাদের নিকট হুকুম হইল, ছেলে হইক বা মেয়ে হউক প্রত্যেকের জন্য একটি বকরী আকীকা করা হইবে। আকীকা করা ওয়াজিব নহে, মুস্তাহাব। তবে আকীকার বকরী কুরবানীর বকরীর অনুরূপ হইতে হইবে। চোখ কানা, অতিশয় বৃদ্ধ, শিং ভাঙা এবং রোগা হইলে চলিবে না। আকীকার গোশত এবং চামড়া বিক্রয় করা জায়েয নহে। ইহার হাড়গুলিও ভাঙ্গিয়া দেওয়া উচিত।**আকীকার গোশত নিজে খাইবে এবং দরিদ্রদিগকেও খাইতে দিবে। আকীকাকৃত বকরীর রক্ত বাচ্চাকে ছোঁয়াইবে না।***