كتاب المساجد

৮. মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়

অধ্যায় ৮ · ৫৪ টি হাদীস

মসজিদ নির্মাণের ফযিলত

الفضل في بناء الم‍ساجد

৬৮৮

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، عَنْ بَحِيرٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ بَنَى مَسْجِدًا يُذْكَرُ اللَّهُ فِيهِ بَنَى اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ " .

বর্ণনাকারী: আমর ইবনে আবাসা (রাঃ)

৬৮৯। আমর ইবনে উসমান (রাহঃ) ......... আমর ইবনে আবাসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি একটি মসজিদ নির্মাণ করবে, যাতে আল্লাহকে স্মরণ করা হবে, আল্লাহ তাআলা জান্নাতে তার জন্য একখানা ঘর নির্মাণ করবেন।

মসজিদের ব্যাপারে গর্ব করা।

المباهاة في المساجد

৬৮৯

أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يَتَبَاهَى النَّاسُ فِي الْمَسَاجِدِ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ)

৬৯০। সুওয়ায়দ ইবনে নসর (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন- মসজিদের ব্যাপারে লোকের পরম্পরে গর্ব করা কিয়ামতের আলামতের অন্তর্ভুক্ত।

প্রথম মসজিদের আলোচনা।

ذكر أي مسجد وضع أولا

৬৯০

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ كُنْتُ أَقْرَأُ عَلَى أَبِي الْقُرْآنَ فِي السِّكَّةِ فَإِذَا قَرَأْتُ السَّجْدَةَ سَجَدَ فَقُلْتُ يَا أَبَتِ أَتَسْجُدُ فِي الطَّرِيقِ فَقَالَ إِنِّي سَمِعْتُ أَبَا ذَرٍّ يَقُولُ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَىُّ مَسْجِدٍ وُضِعَ أَوَّلاً قَالَ " الْمَسْجِدُ الْحَرَامُ " . قُلْتُ ثُمَّ أَىُّ قَالَ " الْمَسْجِدُ الأَقْصَى " . قُلْتُ وَكَمْ بَيْنَهُمَا قَالَ " أَرْبَعُونَ عَامًا وَالأَرْضُ لَكَ مَسْجِدٌ فَحَيْثُمَا أَدْرَكْتَ الصَّلاَةَ فَصَلِّ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু যার গিফারী (রাঃ)

৬৯১। আলী ইবনে হুজর (রাহঃ) ......... ইবরাহীম (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাস্তায় বসে আমার পিতার নিকট কুরআন পাঠ করতাম, যখন আমি সিজদার আয়াত পাঠ করলাম তিনি সিজদা করলেন, তখন আমি বললাম আব্বা! আপনি রাস্তায় সিজদা করছেন! বললেন, আমি আবু যর (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কোন মসজিদটি প্রথম নির্মিত হয়? তিনি বলেছিলেন, মসজিদে হারাম। আমি বললাম, তারপর কোনটি? বললেন, মসজিদুল আকসা। আমি বললাম, এতদুভয়ের মধ্যে ব্যবধান কত? বললেন, চল্লিশ বছর। আর যমীন তোমার জন্য মসজিদ (সিজদার স্থান)। অতএব যেখানেই নামাযের সময় হবে, নামায আদায় করবে।

মসজিদে হারামে নামাযের ফযিলত।

فضل الصلاة في المساجد

৬৯১

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْبَدِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ مَيْمُونَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ مَنْ صَلَّى فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الصَّلاَةُ فِيهِ أَفْضَلُ مِنْ أَلْفِ صَلاَةٍ فِيمَا سِوَاهُ إِلاَّ مَسْجِدَ الْكَعْبَةِ " .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন হযরত মাইমুনা (রাঃ)

৬৯২। কুতায়বা (রাহঃ) ......... ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাবাদ (রাহঃ) ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) এর সহধর্মিণী মায়মুনা (রাযিঃ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মসজিদে নামায আদায় করবে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি যে, তাতে এক ওয়াক্ত নামায আদায় করা মসজিদে হারাম ব্যতীত অন্যান্য মসজিদে এক হাজার নামায আদায় করার চেয়েও উত্তম।

কাবায় নামায আদায় করা

الصلاة في الكعبة

৬৯২

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْبَيْتَ هُوَ وَأُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ وَبِلاَلٌ وَعُثْمَانُ بْنُ طَلْحَةَ فَأَغْلَقُوا عَلَيْهِمْ فَلَمَّا فَتَحَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كُنْتُ أَوَّلَ مَنْ وَلَجَ فَلَقِيتُ بِلاَلاً فَسَأَلْتُهُ هَلْ صَلَّى فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ نَعَمْ صَلَّى بَيْنَ الْعَمُودَيْنِ الْيَمَانِيَيْنِ .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ)

৬৯৩। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উসামা ইবনে যায়দ (রাযিঃ), বিলাল (রাযিঃ) এবং উসমান ইবনে তালহা (রাযিঃ) কাবায় প্রবেশ করে দরুজা বন্ধ করে দিলেন। তারপর যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা খুললেন, তখন প্রথম আমিই প্রবেশ করলাম। বিলাল (রাযিঃ)-এর সাথে সাক্ষাত হলে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি তার ভেতরে নামায আদায় করেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তিনি ইয়ামানী দুই স্তম্ভের মধ্যস্থলে নামায আদায় করেছেন।

মসজিদুল আকসার অভ্যন্তরে নামাযে আদায় করার ফযিলত।

فضل المسجد الأقصى والصلاة فيه

৬৯৩

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُسْهِرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلاَنِيِّ، عَنِ ابْنِ الدَّيْلَمِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ دَاوُدَ صلى الله عليه وسلم لَمَّا بَنَى بَيْتَ الْمَقْدِسِ سَأَلَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ خِلاَلاً ثَلاَثَةً سَأَلَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ حُكْمًا يُصَادِفُ حُكْمَهُ فَأُوتِيَهُ وَسَأَلَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ مُلْكًا لاَ يَنْبَغِي لأَحَدٍ مِنْ بَعْدِهِ فَأُوتِيَهُ وَسَأَلَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ حِينَ فَرَغَ مِنْ بِنَاءِ الْمَسْجِدِ أَنْ لاَ يَأْتِيَهُ أَحَدٌ لاَ يَنْهَزُهُ إِلاَّ الصَّلاَةُ فِيهِ أَنْ يُخْرِجَهُ مِنْ خَطِيئَتِهِ كَيَوْمِ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আ'স (রাঃ)

৬৯৪। আমর ইবনে মনসুর (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সুলাইমান ইবনে দাউদ (আলাইহিস সালাম) যখন বায়তুল মুকাদ্দাস নির্মাণ করলেন, তখন তিনি আল্লাহ তাআলার কাছে তিনটি বস্তু চাইলেনঃ তিনি আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করলেন এমন ফয়সালা যা তার ফয়সালার মত হয়। তা তাকে প্রদান করা হল। আর তিনি আল্লাহ তাআলার নিকট চাইলেন এমন রাজ্য, যার অধিকারী তারপর আর কেউ হবে না। তাও তাকে দেয়া হল। আর যখন তিনি মসজিদ নির্মাণের কাজ সমাপ্ত করলেন তখন তিনি আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করলেন, যে ব্যক্তি তাতে নামাযের জন্য আগমন করবে, তাকে যেন পাপ থেকে ঐদিনের মত মুক্ত করে দেন যেদিন সে তার মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল।

মসজিদে নববী ও এর অভ্যন্তরে নামায আদায় করার ফযিলত।

فضل مسجد النبي صلى الله عليه وسلم والصلاة فيه

৬৯৪

أَخْبَرَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، عَنِ الزُّبَيْدِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَأَبِي عَبْدِ اللَّهِ الأَغَرِّ، مَوْلَى الْجُهَنِيِّينَ وَكَانَا مِنْ أَصْحَابِ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُمَا سَمِعَا أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ صَلاَةٌ فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَفْضَلُ مِنْ أَلْفِ صَلاَةٍ فِيمَا سِوَاهُ مِنَ الْمَسَاجِدِ إِلاَّ الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم آخِرُ الأَنْبِيَاءِ وَمَسْجِدُهُ آخِرُ الْمَسَاجِدِ . قَالَ أَبُو سَلَمَةَ وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ لَمْ نَشُكَّ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ كَانَ يَقُولُ عَنْ حَدِيثِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَمُنِعْنَا أَنْ نَسْتَثْبِتَ أَبَا هُرَيْرَةَ فِي ذَلِكَ الْحَدِيثِ حَتَّى إِذَا تُوُفِّيَ أَبُو هُرَيْرَةَ ذَكَرْنَا ذَلِكَ وَتَلاَوَمْنَا أَنْ لاَ نَكُونَ كَلَّمْنَا أَبَا هُرَيْرَةَ فِي ذَلِكَ حَتَّى يُسْنِدَهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنْ كَانَ سَمِعَهُ مِنْهُ فَبَيْنَا نَحْنُ عَلَى ذَلِكَ جَالَسْنَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ قَارِظٍ فَذَكَرْنَا ذَلِكَ الْحَدِيثَ وَالَّذِي فَرَّطْنَا فِيهِ مِنْ نَصِّ أَبِي هُرَيْرَةَ فَقَالَ لَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَشْهَدُ أَنِّي سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فَإِنِّي آخِرُ الأَنْبِيَاءِ وَإِنَّهُ آخِرُ الْمَسَاجِدِ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৬৯৫। কাছীর ইবনে উবাইদ (রাহঃ) ......... আবু সালামা ইবনে আব্দুর রহমান এবং জুহানীদের মুক্তি প্রাপ্ত গোলাম আবু আব্দুল্লাহ আগার (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, যারা আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-এর সঙ্গী ছিলেন, তাঁরা আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ মসজিদে নববীর এক নামায মসজিদে হারাম ব্যতীত অন্যান্য মসজিদের এক হাজার নামায থেকে উত্তম। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সর্বশেষ নবী, আর তার মসজিদ সর্বশেষ মসজিদ। আবু সালামা এবং আবু আব্দুল্লাহ বলেনঃ আমাদের সন্দেহ ছিল না যে, আবু হুরায়রা (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর হাদীস থেকে এটা বর্ণনা করতেন।

আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এ হাদীস রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে যদি শুনেই থাকতেন তবে তার থেকে বর্ণনা করলেন না কেন? আমরা এই অবস্থায় ছিলাম এমন সময় আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম ইবনে কারিয আমাদের নিকট এসে বসলেন, তখন আমরা এই হাদীসের ব্যাপারে আলোচনা করলাম এবং আমরা যে আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-এর হাদীসের বর্ণনায় তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে অবহেলা করেছি, তাও বললাম। আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি সর্বশেষ নবী আর এ মসজিদ সর্বশেষ মসজিদ।
৬৯৫

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا بَيْنَ بَيْتِي وَمِنْبَرِي رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ " .

বর্ণনাকারী: আব্দুল্লাহ ইবনে যায়দ মাযিনী (রাঃ)

৬৯৬। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার ঘর এবং আমার মিম্বরের মধ্যস্থিত স্থান বেহেশতের বাগানসমূহের একটি বাগান।

৬৯৬

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمَّارٍ الدُّهْنِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ قَوَائِمَ مِنْبَرِي هَذَا رَوَاتِبُ فِي الْجَنَّةِ " .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন উম্মে সালামা (রাঃ)

৬৯৭। কুতায়বা (রাহঃ) ......... উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমার এই মিম্বরে জান্নাতের উপরই স্থাপিত।

তাকাওয়ার উপর স্থাপিত মসজিদ সম্পর্কে আলোচনা

ذكر المسجد الذي أسس على التقوى

৬৯৭

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ أَبِي أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ تَمَارَى رَجُلاَنِ فِي الْمَسْجِدِ الَّذِي أُسِّسَ عَلَى التَّقْوَى مِنْ أَوَّلِ يَوْمٍ فَقَالَ رَجُلٌ هُوَ مَسْجِدُ قُبَاءٍ وَقَالَ الآخَرُ هُوَ مَسْجِدُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هُوَ مَسْجِدِي هَذَا " .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)

৬৯৮। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদা) দু’ব্যক্তি প্রথম “তাকওয়ার উপর স্থাপিত মসজিদ” সম্বন্ধে বিতর্ক করছিল। এক ব্যক্তি বলল, তা হল মসজিদে কুবা, অন্যজন বলল, তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মসজিদ। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তা হল আমার এই মসজিদ।

মসজিদে কুবা ও তাতে নামায আদায় করার ফযীলত।

فضل مسجد قباء والصلاة فيه

৬৯৮

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْتِي قُبَاءً رَاكِبًا وَمَاشِيًا .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ)

৬৯৯। কুতায়বা (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুবাতে গমন করতেন সওয়ার হয়ে এবং পদব্রজে (পায়ে হেঁটে)।

৬৯৯

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا مُجَمِّعُ بْنُ يَعْقُوبَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْكِرْمَانِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ بْنَ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، قَالَ قَالَ أَبِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ خَرَجَ حَتَّى يَأْتِيَ هَذَا الْمَسْجِدَ مَسْجِدَ قُبَاءٍ فَصَلَّى فِيهِ كَانَ لَهُ عِدْلَ عُمْرَةٍ " .

বর্ণনাকারী: হযরত সাহল ইবনে হুনায়ফ রাযি.

৭০০। কুতায়বা (রাহঃ) ......... সাহল ইবনে হুনায়ফ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বের হয়ে এই মসজিদে কুবায় আগমন করবে এবং তাতে নামায আদায় করবে, এটা তার জন্য এক উমরার সমতুল্য হবে।

যে মসজিদের জন্যে সওয়ারী প্রস্তুত করা যায়।

ما تشد الرحال إليه من المساجد

৭০০

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلاَّ إِلَى ثَلاَثَةِ مَسَاجِدَ مَسْجِدِ الْحَرَامِ وَمَسْجِدِي هَذَا وَمَسْجِدِ الأَقْصَى

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৭০১। মুহাম্মাদ ইবনে মানসুর (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের দিকে ভ্রমণ করা যাবে না। মসজিদে হারাম, আমার এই মসজিদ এবং মসজিদে আকসা।[১]

[১] এই তিন মসজিদের মর্যাদা বুঝানোর উদ্দেশ্যেই এরূপ বলা হয়েছে, অপর কোন স্থানে যাওয়া থেকে নিষেধ করার জন্য নয়। তবে এ হাদীসের ওপর ভিত্তি করে কেউ কেউ বলেছেন যে, কোন ওলী-দরবেশের মাযার বা অপর কোন বিশেষ স্থান যিয়ারত করার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হওয়া এই নিষেধের অন্তর্গত। -অনুবাদক

গির্জাকে মসজিদ বানানো

اتخاذ البيع مساجد

৭০১

أَخْبَرَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ مُلاَزِمٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَدْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ أَبِيهِ، طَلْقِ بْنِ عَلِيٍّ قَالَ خَرَجْنَا وَفْدًا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَبَايَعْنَاهُ وَصَلَّيْنَا مَعَهُ وَأَخْبَرْنَاهُ أَنَّ بِأَرْضِنَا بِيعَةً لَنَا فَاسْتَوْهَبْنَاهُ مِنْ فَضْلِ طَهُورِهِ فَدَعَا بِمَاءٍ فَتَوَضَّأَ وَتَمَضْمَضَ ثُمَّ صَبَّهُ فِي إِدَاوَةٍ وَأَمَرَنَا فَقَالَ " اخْرُجُوا فَإِذَا أَتَيْتُمْ أَرْضَكُمْ فَاكْسِرُوا بِيعَتَكُمْ وَانْضَحُوا مَكَانَهَا بِهَذَا الْمَاءِ وَاتَّخِذُوهَا مَسْجِدًا " . قُلْنَا إِنَّ الْبَلَدَ بَعِيدٌ وَالْحَرَّ شَدِيدٌ وَالْمَاءَ يَنْشَفُ . فَقَالَ " مُدُّوهُ مِنَ الْمَاءِ فَإِنَّهُ لاَ يَزِيدُهُ إِلاَّ طِيبًا " . فَخَرَجْنَا حَتَّى قَدِمْنَا بَلَدَنَا فَكَسَرْنَا بِيعَتَنَا ثُمَّ نَضَحْنَا مَكَانَهَا وَاتَّخَذْنَاهَا مَسْجِدًا فَنَادَيْنَا فِيهِ بِالأَذَانِ . قَالَ وَالرَّاهِبُ رَجُلٌ مِنْ طَيِّئٍ فَلَمَّا سَمِعَ الأَذَانَ قَالَ دَعْوَةُ حَقٍّ . ثُمَّ اسْتَقْبَلَ تَلْعَةً مِنْ تِلاَعِنَا فَلَمْ نَرَهُ بَعْدُ .

বর্ণনাকারী: হযরত তালক ইবনে আলী রাযি.

৭০২। হান্নাদ ইবনে সাররী (রাহঃ) ......... তালক ইবনে আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা প্রতিনিধি হিসাবে নবী (ﷺ) এর নিকট আগমনের উদ্দেশ্যে বের হলাম। পরে তাঁর নিকট বায়আত গ্রহণ করলাম এবং তাঁর সাথে নামায আদায় করলাম। তারপর আমরা তাকে অবহিত করলাম যে, দেশে আমাদের একটা গির্জা রয়েছে। আমরা তাকে পানি দিতে অনুরোধ জানালাম। তিনি কিছু পনি আনিয়ে উযু এবং কুল্লি করলেন-তারপর একটি পাত্রে তা ঢেলে দিলেন। আর আমাদের তা নিতে নির্দেশ দিলেন এবং বললেন, তোমরা যাও। যখন তোমরা তোমাদের দেশে পৌছবে- তখন তোমাদের ঐ গির্জাটি ভেঙ্গে ফেলবে আর সেখানে এ পানি ঢেলে দেবে। তারপর সেটাকে মসজিদ বানাবে। আমরা বললাম, আমাদের দেশ অনেক দূরে, গরমও অত্যধিক, পানি শুকিয়ে যাবে। তিনি বললেন, এর সাথে আরও পানি মিশ্রিত করে নেবে। তাতে ঐ পানির সুঘ্রাণ আরও বাড়বে। আমরা সেখান থেকে বের হয়ে আমাদের দেশে পৌছলাম এবং আমাদের গির্জাটি ভেঙ্গে ফেললাম। তারপর তার স্থানে পানি ঢেলে দিলাম আর ওটাকে মসজিদরূপে ব্যবহার করলাম। আমরা তাতে আযান দিলাম। রাবী বলেনঃ পাদ্রী ছিল তার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি। সে আযান ধ্বনি শুনে বলল, এ তো সত্যের প্রতি আহবান। তারপর সে ঢালূ স্থানের দিকে চলে গেল। তাকে আমরা আর দেখিনি।

কবরের জায়গা সমান করে মসজিদ বানানো।

نبش القبور , واتخاذ أرضها مسجدا

৭০২

أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَزَلَ فِي عُرْضِ الْمَدِينَةِ فِي حَىٍّ يُقَالُ لَهُمْ بَنُو عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ فَأَقَامَ فِيهِمْ أَرْبَعَ عَشْرَةَ لَيْلَةً ثُمَّ أَرْسَلَ إِلَى مَلإٍ مِنْ بَنِي النَّجَّارِ فَجَاءُوا مُتَقَلِّدِي سُيُوفِهِمْ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى رَاحِلَتِهِ وَأَبُو بَكْرٍ - رضى الله عنه - رَدِيفُهُ وَمَلأٌ مِنْ بَنِي النَّجَّارِ حَوْلَهُ حَتَّى أَلْقَى بِفِنَاءِ أَبِي أَيُّوبَ وَكَانَ يُصَلِّي حَيْثُ أَدْرَكَتْهُ الصَّلاَةُ فَيُصَلِّي فِي مَرَابِضِ الْغَنَمِ ثُمَّ أُمِرَ بِالْمَسْجِدِ فَأَرْسَلَ إِلَى مَلإٍ مِنْ بَنِي النَّجَّارِ فَجَاءُوا فَقَالَ " يَا بَنِي النَّجَّارِ ثَامِنُونِي بِحَائِطِكُمْ هَذَا " . قَالُوا وَاللَّهُ لاَ نَطْلُبُ ثَمَنَهُ إِلاَّ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ . قَالَ أَنَسٌ وَكَانَتْ فِيهِ قُبُورُ الْمُشْرِكِينَ وَكَانَتْ فِيهِ خَرِبٌ وَكَانَ فِيهِ نَخْلٌ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِقُبُورِ الْمُشْرِكِينَ فَنُبِشَتْ وَبِالنَّخْلِ فَقُطِعَتْ وَبِالْخَرِبِ فَسُوِّيَتْ فَصَفُّوا النَّخْلَ قِبْلَةَ الْمَسْجِدِ وَجَعَلُوا عِضَادَتَيْهِ الْحِجَارَةَ وَجَعَلُوا يَنْقُلُونَ الصَّخْرَ وَهُمْ يَرْتَجِزُونَ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَعَهُمْ وَهُمْ يَقُولُونَ اللَّهُمَّ لاَ خَيْرَ إِلاَّ خَيْرُ الآخِرَةِ فَانْصُرِ الأَنْصَارَ وَالْمُهَاجِرَةَ

বর্ণনাকারী: হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ)

৭০৩। ইমরান ইবনে মুসা (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মদীনায় আগমন করলেন তখন তিনি মদীনার এক প্রান্তে বনু আমর ইবনে আওফ নামক এক গোত্রে অবতরণ করলেন। তিনি সেখানে চৌদ্দ দিন অবস্থান করেন। তারপর তিনি বনু নাজ্জারের নেতৃস্থানীয় লোকদের কাছে লোক পাঠালেন। তারা তাদের তলোয়ার লটকিয়ে আগমন করলেন, আমি যেন এখনও দেখছি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সওয়ারীর উপর আর আবু বকর (রাযিঃ) তার পেছনে উপবিষ্ট। আর বনু নাজ্জারের নেতৃস্থানীয় লোকেরা তার চতূপার্শ্বে চলতে চলতে তিনি আবু আইয়্যুব (রাযিঃ) এর ঘরের সামনে অবতরণ করলেন। তিনি নামাযের সময় যেখানেই থাকতেন, সেখানে নামায আদায় করতেন। তিনি বকরীর পালের স্থানেও নামায আদায় করতেন। তারপর তাঁকে মসজিদ তৈরী করার আদেশ দেয়া হলে তিনি নাজ্জার গোত্রের নেতৃস্থানীয় লোকদের কাছে লোক পাঠালেন।

তারা আগমন করলে তিনি বললেন, হে বনু নাজ্জারের লোক সকল! তোমরা তোমাদের এ স্থানটি আমার নিকট বিক্রয় কর। তারা বলল, আল্লাহর শপথ! আমরা এর মূল্য গ্রহণ করব না। এর মূল্য আমরা আল্লাহ তাআলার নিকট চাইব। আনাস (রাযিঃ) বলেনঃ সেখানে মুশরিকদের কবর, ভগ্ন গৃহ এবং খেজুর গাছ ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আদেশ করলে ঐ সকল কবর সমতল করে দেয়া হল আর খেজুর গাছ কেটে ফেলা হল এবং বিধ্বস্ত ঘরগুলো ভেঙ্গে সমান করে দেয়া হলো। সাহাবীগণ কিবলার দিকে সারিবদ্ধ করে খেজুর গাছ রাখলেন এবং পাথর দ্বারা তার গোড়া ভরাট করলেন। তারপর শিলা খণ্ড গুলো সরাচ্ছিলেন আর ছড়া গাচ্ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের সঙ্গে ছিলেন, তারা বলছিলেনঃ

اللَّهُمَّ لاَ خَيْرَ إِلاَّ خَيْرُ الآخِرَةِ فَانْصُرِ الأَنْصَارَ وَالْمُهَاجِرَةَ

অর্থাৎ, হে আল্লাহ! আখিরাতের মঙ্গলই প্রকৃত মঙ্গল, আপনি আনসার ও মুহাজিরদেরকে সাহায্য করুন।

কবরকে মসজিদরুপে ব্যবহার করা নিষেধ।

النهي عن اتخاذ القبور مساجد

৭০৩

أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، وَيُونُسَ، قَالاَ قَالَ الزُّهْرِيُّ أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَائِشَةَ، وَابْنَ، عَبَّاسٍ قَالاَ لَمَّا نُزِلَ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَطَفِقَ يَطْرَحُ خَمِيصَةً لَهُ عَلَى وَجْهِهِ فَإِذَا اغْتَمَّ كَشَفَهَا عَنْ وَجْهِهِ قَالَ وَهُوَ كَذَلِكَ " لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ " .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন হযরত আয়েশা রাযি.

৭০৪। সুওয়ায়দ ইবনে নসর (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) এবং ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেনঃ যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ওফাতের সময় নিকটবর্তী হয়েছিল- তখন তিনি তাঁর চেহারার উপর চাঁদর ফেলেছিলেন আর যখন শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসছিল, তখন তিনি তার চেহারা হতে তা সরিয়ে ফেলেছিলেন, আর ঐ অবস্হায় তিনি বলছিলেন, ইয়াহুদী এবং খ্রিষ্টানদের ওপর আল্লাহর লানত, তারা তাদের নবীগণের কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করেছে।

৭০৪

أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ، وَأُمَّ سَلَمَةَ ذَكَرَتَا كَنِيسَةً رَأَتَاهَا بِالْحَبَشَةِ فِيهَا تَصَاوِيرُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ أُولَئِكَ إِذَا كَانَ فِيهِمُ الرَّجُلُ الصَّالِحُ فَمَاتَ بَنَوْا عَلَى قَبْرِهِ مَسْجِدًا وَصَوَّرُوا تِيكَ الصُّوَرَ أُولَئِكَ شِرَارُ الْخَلْقِ عِنْدَ اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন হযরত আয়েশা রাযি.

৭০৫। ইয়াকুব ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। উম্মে হাবীবা এবং উম্মে সালামা (রাযিঃ) একটি গির্জার উল্লেখ করেছিলেন, যা তারা হাবশায় দেখেছেন, যাতে অনেক ছবি ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তাদের মধ্যে যখন কোন নেককার লোক মূত্যু বরণ করত, তখন তারা তার কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করত এবং ঐ সকল লোকের ছবি তৈরীর করে রাখত। কিয়ামতের দিন তারা আল্লাহর নিকট নিকৃষ্টতম সৃষ্টি বলে পরিগণিত হবে।

মসজিদে আগমনের ফযীলত।

الفضل في إتيان المساجد

৭০৫

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، قَالَ حَدَّثَنَا الأَسْوَدُ بْنُ الْعَلاَءِ بْنِ جَارِيَةَ الثَّقَفِيُّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، - هُوَ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " حِينَ يَخْرُجُ الرَّجُلُ مِنْ بَيْتِهِ إِلَى مَسْجِدِهِ فَرِجْلٌ تُكْتَبُ حَسَنَةً وَرِجْلٌ تَمْحُو سَيِّئَةً " .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৭০৬। আমর ইবনে আলী (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ যখন কোন ব্যক্তি তার ঘর থেকে মসজিদের দিকে বের হয়, তখন তার এক পদক্ষেপে একটি নেকী লেখা হয়। আর এক পদক্ষেপে একটি গুনাহ মুছে যায়।

মহিলাদের মসজিদে আসতে বারণ করা নিষেধ।

النهي عن منع النساء من إتيانهن المساجد

৭০৬

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا اسْتَأْذَنَتِ امْرَأَةُ أَحَدِكُمْ إِلَى الْمَسْجِدِ فَلاَ يَمْنَعْهَا " .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ)

৭০৭। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... সালিম (রাহঃ)-এর পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কারও স্ত্রী যদি মসজিদে যাওয়ার অনূমতি চায়, তবে সে যেন তাকে নিষেধ না করে।[১]

[১] আলোচ্য হাদীসের আলোকে সাধারণভাবে মহিলাদের মসজিদে গমনাগমনের অনুমতি প্রমাণিত হয়। আবার কোন কোন হাদীসের মাধ্যমে সুগন্ধি ও অলংকার বর্জন করে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। কিন্তু হযরত আয়েশা (রাযিঃ) তাঁর কালে মহিলাদের মসজিদে গমনে আপত্তি তুলেছিলেন। বর্তমানকালের ইসলামী আইনবেত্তাগণ যুগের দিকে লক্ষ্য রেখে মহিলাদের মসজিদে যাওয়াকে অপছন্দ করেছেন।

মসজিদে যেতে যাকে নিষেধ করা হবে।

من يمنع من المسجد

৭০৭

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَكَلَ مِنْ هَذِهِ الشَّجَرَةِ " . قَالَ أَوَّلَ يَوْمٍ " الثُّومِ " . ثُمَّ قَالَ " الثُّومِ وَالْبَصَلِ وَالْكُرَّاثِ فَلاَ يَقْرَبْنَا فِي مَسَاجِدِنَا فَإِنَّ الْمَلاَئِكَةَ تَتَأَذَّى مِمَّا يَتَأَذَّى مِنْهُ الإِنْسُ " .

বর্ণনাকারী: জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আনসারী (রাঃ)

৭০৮। ইসহাক ইবনে মনসুর (রাহঃ) ......... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এ গাছ থেকে খায়, প্রথম দিন তিনি বলেছেন, ‘রসুন’ তারপর তিনি বলেছেন, ‘রসুন’, পিঁয়াজ এবং কুররাছ[১]। সে যেন আমাদের মসজিদের নিকটে না আসে। কেননা ফিরিশতাগণ কষ্টানূভব করেন যাহারা মানুষ কষ্ট অনুভব করে থাকে।[২]

[১] স্বাদে ও গন্ধে পিঁয়াজের মত এক প্রকার সবজি, কিন্তু পিঁয়াজ গোলাকৃতি আর কুররাছ লম্বা ।
[২] কাঁচা পিঁয়াজ ও রসুন দুর্গন্ধময়। অতএব এ ধরনের গন্ধযুক্ত বস্তু যথা, মুখের দুর্গন্ধ, ঘামের গন্ধ, তামাকের গন্ধ ইত্যাদি গন্ধ নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করাও এ নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত।

মসজিদ থেকে যাকে বের করে দেয়া হবে।

من يخرج من المسجد

৭০৮

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ، قَالَ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ مَعْدَانَ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ إِنَّكُمْ أَيُّهَا النَّاسُ تَأْكُلُونَ مِنْ شَجَرَتَيْنِ مَا أُرَاهُمَا إِلاَّ خَبِيثَتَيْنِ هَذَا الْبَصَلُ وَالثُّومُ وَلَقَدْ رَأَيْتُ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا وَجَدَ رِيحَهُمَا مِنَ الرَّجُلِ أَمَرَ بِهِ فَأُخْرِجَ إِلَى الْبَقِيعِ فَمَنْ أَكَلَهُمَا فَلْيُمِتْهُمَا طَبْخًا .

বর্ণনাকারী: হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি.

৭০৯। মুহাম্মাদ ইবনে মুসান্না (রাহঃ) ......... মা’দান ইবনে আবু তালহা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ) বলেছেন, হে লোক সকল! তোমরা দু-প্রকার সবজি খেয়ে থাক। আমি এতদুভয়কে নিকৃষ্ট মনে করি। তা হলো পিঁয়াজ এবং রসূন। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে দেখেছি, যখন তিনি কারও নিকট থেকে এর গন্ধ পেতেন, তখন তাকে বের করে দেয়ার নির্দেশ দিতেন। এরপর তাকে বাকী এর দিকে বের করে দেয়া হতো। অতএব যে ব্যক্তি; তা খায়, সে যেন তা পাকিয়ে গন্ধ মুক্ত করে ফেলে।

মসজিদে তাঁবু টানানো।

ضرب الخباء في المساجد

৭০৯

أَخْبَرَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ حَدَّثَنَا يَعْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَرَادَ أَنْ يَعْتَكِفَ صَلَّى الصُّبْحَ ثُمَّ دَخَلَ فِي الْمَكَانِ الَّذِي يُرِيدُ أَنْ يَعْتَكِفَ فِيهِ فَأَرَادَ أَنْ يَعْتَكِفَ الْعَشْرَ الأَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ فَأَمَرَ فَضُرِبَ لَهُ خِبَاءٌ وَأَمَرَتْ حَفْصَةُ فَضُرِبَ لَهَا خِبَاءٌ فَلَمَّا رَأَتْ زَيْنَبُ خِبَاءَهَا أَمَرَتْ فَضُرِبَ لَهَا خِبَاءٌ فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " آلْبِرَّ تُرِدْنَ " . فَلَمْ يَعْتَكِفْ فِي رَمَضَانَ وَاعْتَكَفَ عَشْرًا مِنْ شَوَّالٍ .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন হযরত আয়েশা রাযি.

৭১০। আবু দাউদ (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন ইতিকাফ করার ইচ্ছা করতেন, তখন ফজরের নামায আদায় করার পর যে স্থানে ইতিকাফের ইচ্ছা করতেন, সেখানে প্রবেশ করতেন। তিনি রমযানের শেষ দশদিন ইতিকাফের ইচ্ছা করলেন আর তাবু স্থাপনের আদেশ দিলেন এবং তাঁর জন্য তাঁবু খটানো হলো।

আর হাফসা (রাযিঃ) আদেশ করলে তার জন্যও তাঁবু খাটানো হলো, যয়নাব (রাযিঃ) তার তাঁবু দেখলেন। তিনিও আদেশ করলেন, তার জন্যও পৃথক তাঁবু খাটানো হলো। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা দেখতে পেয়ে বললেন, তোমরা কি নেকীর প্রত্যাশা করছো? তিনি সে রমযান মাসে ইতিকাফ করলেন না এবং শাওয়াল মাসে দশদিন ইতিকাফ করলেন।
৭১০

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ أُصِيبَ سَعْدٌ يَوْمَ الْخَنْدَقِ رَمَاهُ رَجُلٌ مِنْ قُرَيْشٍ رَمْيَةً فِي الأَكْحَلِ فَضَرَبَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَيْمَةً فِي الْمَسْجِدِ لِيَعُودَهُ مِنْ قَرِيبٍ .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন হযরত আয়েশা রাযি.

৭১১। উবাইদূল্লাহ ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ সা’দ (রাযিঃ) খন্দকের যুদ্ধে আহত হলেন। এক কুরাইশ ব্যক্তি তাঁর বাহুতে তীর নিক্ষেপ করেছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদে তাঁর জন্য একটি তাঁবু খাটালেন, যাতে তিনি নিকট থেকে তাঁর দেখাশুনা করতে পারেন।

মসজিদে শিশুদের নিয়ে প্রবেশ করা।

إدخال الصبيان المساجد

৭১১

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ الزُّرَقِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا قَتَادَةَ، يَقُولُ بَيْنَا نَحْنُ جُلُوسٌ فِي الْمَسْجِدِ إِذْ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَحْمِلُ أُمَامَةَ بِنْتَ أَبِي الْعَاصِ بْنِ الرَّبِيعِ وَأُمُّهَا زَيْنَبُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهِيَ صَبِيَّةٌ يَحْمِلُهَا فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهِيَ عَلَى عَاتِقِهِ يَضَعُهَا إِذَا رَكَعَ وَيُعِيدُهَا إِذَا قَامَ حَتَّى قَضَى صَلاَتَهُ يَفْعَلُ ذَلِكَ بِهَا .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু কাতাদা আনসারী (রাঃ)

৭১২। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আমর ইবনে সুলায়ম যুরাকী (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবু কাতাদা (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আমরা মসজিদে উপবিষ্ট ছিলাম, হঠাৎ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবুল আস ইবনে রবীর কন্যা উমামাকে কোলে নিয়ে আমাদের নিকট আসলেন। তার মা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কন্যা যয়নাব (রাযিঃ)। তিনি ছিলেন ছোট বালিকা। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বহন করেই বেড়াতেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নামায আদায় করলেন তাকে কাঁধে রেখেই। তিনি ‘রুকু’ করার সময় তাঁকে কাঁধে রেখে দিতেন। দাঁড়ালে আবার কাঁধে তুলে নিতেন। এমনিভাবে তিনি তার নামায শেষ করলেন।

কয়েদীকে মসজিদের খুঁটির সাথে বাঁধা।

ربط الأسير بسارية المسجد

৭১২

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَيْلاً قِبَلَ نَجْدٍ فَجَاءَتْ بِرَجُلٍ مِنْ بَنِي حَنِيفَةَ يُقَالُ لَهُ ثُمَامَةُ بْنُ أُثَالٍ سَيِّدُ أَهْلِ الْيَمَامَةِ فَرُبِطَ بِسَارِيَةٍ مِنْ سَوَارِي الْمَسْجِدِ . مُخْتَصَرٌ .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৭১৩। কুতায়বা (রাহঃ) ......... সাঈদ ইবনে আবু সাঈদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদল সৈন্য নাজদের দিকে পাঠালেন। তারা ইয়ামামাবাসীদের সর্দার ছুমামা ইবনে উসাল নামক বনু হানীফার জনৈক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে আসলেন। এরপর তাকে মসজিদের এক খুঁটির সাথে বাধা হলো। (সংক্ষিপ্ত)

মসজিদে উট প্রবেশ করানো।

إدخال البعير المسجد

৭১৩

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم طَافَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ عَلَى بَعِيرٍ يَسْتَلِمُ الرُّكْنَ بِمِحْجَنٍ .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি.

৭১৪। সুলাইমান ইবনে দাউদ (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিদায় হজ্জে উটে সওয়ার হয়ে তাওয়াফ করলেন এবং লাঠি দ্বারা হাজরে আসওয়াদকে স্পর্শ করে চুমু দিলেন।

মসজিদে ক্রয় বিক্রয় ও জুমআর নামাযের আগে বৃত্তাকারে বসা নিষেধ।

النهي عن البيع والشراء في المسجد وعن التحلق قبل صلاة الجمعة

৭১৪

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ التَّحَلُّقِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ قَبْلَ الصَّلاَةِ وَعَنِ الشِّرَاءِ وَالْبَيْعِ فِي الْمَسْجِدِ .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আ'স (রাঃ)

৭১৫। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে আমব ইবনে আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জুমআর দিন নামাযের পূর্বে বৃত্তাকারে বসতে এবং মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।

মসজিদে কবিতা পাঠের নিষেধাজ্ঞা।

النهي عن تناشد الأشعار في المسجد

৭১৫

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ تَنَاشُدِ الأَشْعَارِ فِي الْمَسْجِدِ .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আ'স (রাঃ)

৭১৬। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদে কবিতা পাঠ করতে নিষেধ করেছেন।

মসজিদে উত্তম কবিতা পাঠের অনুমতি

الرخصة في إنشاد الشعر الحسن في المسجد

৭১৬

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، قَالَ مَرَّ عُمَرُ بِحَسَّانَ بْنِ ثَابِتٍ وَهُوَ يُنْشِدُ فِي الْمَسْجِدِ فَلَحَظَ إِلَيْهِ فَقَالَ قَدْ أَنْشَدْتُ وَفِيهِ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنْكَ ثُمَّ الْتَفَتَ إِلَى أَبِي هُرَيْرَةَ فَقَالَ أَسَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " أَجِبْ عَنِّي اللَّهُمَّ أَيِّدْهُ بِرُوحِ الْقُدُسِ " . قَالَ اللَّهُمَّ نَعَمْ .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৭১৭। কুতায়বা (রাহঃ) ......... সাঈদ ইবনে মুসায়্যাব (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা উমর (রাযিঃ) হাসসান ইবনে সাবিত (রাযিঃ)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় তাকে মসজিদে কবিতা পাঠ করতে দেখলেন। তিনি তাঁর দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করলে তিনি বললেন, আমি তো মসজিদে ঐ সময় কবিতা পাঠ করেছি- যখন তাতে আপনার চেয়ে উত্তম ব্যক্তি (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)) উপস্থিত ছিলেন। তারপর তিনি আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-এর প্রতি লক্ষ্য করে বললেনঃ আপনি কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শোনেন নি। [হে হাসসান!] আমার পক্ষ থেকে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাকে রুহুল কুদুস দ্বারা সাহায্য করুন? তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম, হ্যাঁ।

মসজিদে হারানো বস্তুর ঘোষণা দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা।

النهي عن إنشاد الضالة في المسجد

৭১৭

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحِيمِ، قَالَ حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ يَنْشُدُ ضَالَّةً فِي الْمَسْجِدِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ وَجَدْتَ " .

বর্ণনাকারী: জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আনসারী (রাঃ)

৭১৮। মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াহব (রাহঃ) ......... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি মসজিদে এসে হারানো বস্তুর ঘোষণা দিতে লাগল। তাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তুমি যেন না পাও।

মসজিদে হাতিয়ার বের করা

إظهار السلاح في المسجد

৭১৮

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْمِسْوَرِ الزُّهْرِيُّ، - بَصْرِيٌّ - وَمُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ قُلْتُ لِعَمْرٍو أَسَمِعْتَ جَابِرًا يَقُولُ مَرَّ رَجُلٌ بِسِهَامٍ فِي الْمَسْجِدِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " خُذْ بِنِصَالِهَا " . قَالَ نَعَمْ .

বর্ণনাকারী: জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আনসারী (রাঃ)

৭১৯। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান ও মুহাম্মাদ ইবনে মানসুর (রাহঃ) ......... সুফিয়ান (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমর (রাযিঃ)-কে বললাম, আপনি কি জাবিরকে বলতে শুনেছেন যে, এক ব্যক্তি কতকগুলো তীর নিয়ে মসজিদে গেল, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেনঃ এর ধারাল দিক হাতে ধর। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ (শুনেছি)।

মসজিদে তাশবীক করা

تشبيك الأصابع في المسجد

৭১৯

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَنْبَأَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، قَالَ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَعَلْقَمَةُ، عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ فَقَالَ لَنَا أَصَلَّى هَؤُلاَءِ قُلْنَا لاَ . قَالَ قُومُوا فَصَلُّوا . فَذَهَبْنَا لِنَقُومَ خَلْفَهُ فَجَعَلَ أَحَدَنَا عَنْ يَمِينِهِ وَالآخَرَ عَنْ شِمَالِهِ فَصَلَّى بِغَيْرِ أَذَانٍ وَلاَ إِقَامَةٍ فَجَعَلَ إِذَا رَكَعَ شَبَّكَ بَيْنَ أَصَابِعِهِ وَجَعَلَهَا بَيْنَ رُكْبَتَيْهِ وَقَالَ هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَعَلَ .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)

৭২০। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... আসওয়াদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং আলকামা আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি আমাদের বললেন, এরা কি নামায আদায় করেছে? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, উঠ, নামায আদায় কর। আমরা তার পেছনে দাঁড়াতে মনস্থ করলাম। তিনি আমাদের একজনকে তার ডানদিকে এবং অন্যজনকে তাঁর বামদিকে দাঁড় করালেন। তিনি আযান ও ইকামত ব্যতিরেকে নামায আদায় করলেন। পরে যখন রুকুতে গেলেন, তখন তাঁর অঙ্গুলির মধ্যে তশবীক[১] করলেন এবং তা দুই হাটূর মধ্যস্থলে রাখলেন এবং বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে এরূপ করতে দেখেছি।

[১] তাশবীক অর্থ ---আঙ্গুলসমূহকে পরস্পর ঢুকিয়ে জালের মত করা। এরূপ পদ্ধতি রহিত হয়ে গেছে। যেমন সালাতে ইমাম ব্যতীত দুইজন লোক থাকলে তাদেরকে ডানে বামে দাঁড় করানোর হুকুম রহিত হয়ে গেছে।
৭২০

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَنْبَأَنَا النَّضْرُ، قَالَ أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، قَالَ سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، وَالأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، فَذَكَرَ نَحْوَهُ .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)

৭২১। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... সুলাইমান (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ইবরাহীমকে আলকামা (রাহঃ) এবং আসওয়াদ (রাহঃ) সূত্রে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বলতে শুনেছি, এরপর তিনি পুর্ববৎ উল্লেখ করলেন।

মসজিদে শয়ন করা।

الاستلقاء في المسجد

৭২১

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ، أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُسْتَلْقِيًا فِي الْمَسْجِدِ وَاضِعًا إِحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الأُخْرَى .

বর্ণনাকারী: আব্বাদ ইবনে তামীম (রহঃ)

৭২২। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আব্বাদ ইবনে তামীম (রাহঃ)-এর চাচা থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে মসজিদে চিৎ হয়ে এক পা অন্য পায়ের উপর রাখা অবস্থায় (শুয়ে থাকতে) দেখেছেন।

মসজিদে নিদ্রা যাওয়া।

النوم في المسجد

৭২২

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ يَنَامُ وَهُوَ شَابٌّ عَزْبٌ لاَ أَهْلَ لَهُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَسْجِدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ)

৭২৩। উবাইদুল্লাহ ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি মসজিদে নববীতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যামানায় শয়ন করতেন। আর তখন তিনি ছিলেন অবিবাহিত যুবক, তাঁর স্ত্রী ছিল না।

মসজিদে থুথু ফেলা।

البصاق في المسجد

৭২৩

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الْبُصَاقُ فِي الْمَسْجِدِ خَطِيئَةٌ وَكَفَّارَتُهَا دَفْنُهَا " .

বর্ণনাকারী: হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ)

৭২৪। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মসজিদে থুথু ফেলা পাপ এবং এর কাফফারা হলো তা পুঁতে ফেলা।

মসজিদে কিবলার দিকে কফ ফেলার নিষেধাজ্ঞা।

النهي عن أن يتنخم الرجل في قبلة المسجد

৭২৪

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَأَى بُصَاقًا فِي جِدَارِ الْقِبْلَةِ فَحَكَّهُ ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ فَقَالَ " إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ يُصَلِّي فَلاَ يَبْصُقَنَّ قِبَلَ وَجْهِهِ فَإِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قِبَلَ وَجْهِهِ إِذَا صَلَّى " .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ)

৭২৫। কুতায়বা (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদের কিবলার দেওয়ালে থুথু দেখে তা উঠিয়ে ফেললেন, তারপর লোকদের দিকে মুখ করে বললেনঃ যখন তোমাদের কেউ নামায আদায় করে, তখন সে যেন তার সম্মুখ দিকে থুথু না ফেলে। কেননা যখন সে নামায আদায় করে তখন আল্লাহ তাআলা তার সামনে থাকেন।

নামাযে সামনে অথবা ডানে দিকে থুথু ফেলার ব্যাপারে নবী (ﷺ) এর নিষেধাজ্ঞা।

ذكر نهي النبي صلى الله عليه وسلم عن أن يبصق الرجل بين يديه أو عن يمينه وهو في صلاته

৭২৫

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى نُخَامَةً فِي قِبْلَةِ الْمَسْجِدِ فَحَكَّهَا بِحَصَاةٍ وَنَهَى أَنْ يَبْصُقَ الرَّجُلُ بَيْنَ يَدَيْهِ أَوْ عَنْ يَمِينِهِ وَقَالَ " يَبْصُقُ عَنْ يَسَارِهِ أَوْ تَحْتَ قَدَمِهِ الْيُسْرَى " .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)

৭২৬। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদের কিবলার দিকে থুথু দেখতে পেয়ে তা পাথরের টুকরা দ্বারা ঘষে উঠিয়ে ফেললেন এবং তিনি নিষেধ করলেন যেন কোন ব্যক্তি তার সামনে অথবা ডানদিকে থুথু না ফেলে এবং বললেনঃ সে বামদিকে অথবা বাম পায়ের নীচে থুথু ফেলবে।

মুসুল্লীর জন্য পেছনে অথবা বাম দিকে থুথু ফেলার অনুমতি

الرخصة للمصلي أن يبصق خلفه أو تلقاء شماله

৭২৬

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ حَدَّثَنِي مَنْصُورٌ، عَنْ رِبْعِيٍّ، عَنْ طَارِقِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُحَارِبِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا كُنْتَ تُصَلِّي فَلاَ تَبْزُقَنَّ بَيْنَ يَدَيْكَ وَلاَ عَنْ يَمِينِكَ وَابْصُقْ خَلْفَكَ أَوْ تِلْقَاءَ شِمَالِكَ إِنْ كَانَ فَارِغًا وَإِلاَّ فَهَكَذَا " . وَبَزَقَ تَحْتَ رِجْلِهِ وَدَلَكَهُ .

বর্ণনাকারী: তারিক মুহারিবী (রাঃ)

৭২৭। উবাইদুল্লাহ ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... তারিক ইবনে আব্দুল্লাহ আল মুহারিবী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তুমি নামায আদায় করতে থাকবে, তখন তোমার সামনে অথবা তোমার ডানদিকে থুথু ফেলবে না, তোমার পেছনে অথবা বামদিকে ফেলতে পার যদি নামাযের বাইরে থাক, তা না হলে এরূপ, এই বলে তিনি পায়ের নীচে থুথু ফেললেন এবং তা মলে ফেললেন।

কোন পায়ে থুথু মলে বিনাশ করবে

بأي الرجلين يدلك بصاقه

৭২৭

أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ سَعِيدٍ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي الْعَلاَءِ بْنِ الشِّخِّيرِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَنَخَّعَ فَدَلَكَهُ بِرِجْلِهِ الْيُسْرَى .

বর্ণনাকারী: আবুল আলা ইবনুশ শিখখীর (রহঃ)

৭২৮। সুওয়ায়দ ইবনে নসর (রাহঃ) ......... আবুল আ’লা ইবনে শিখখীর-এর পিতা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে আমি দেখলাম যে, তিনি নাক ঝাড়লেন এবং তা তাঁর বাম পা দ্বারা মলে ফেললেন।

মসজিদকে সুগন্ধিময় করা।

تخليق المساجد

৭২৮

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا عَائِذُ بْنُ حَبِيبٍ، قَالَ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نُخَامَةً فِي قِبْلَةِ الْمَسْجِدِ فَغَضِبَ حَتَّى احْمَرَّ وَجْهُهُ فَقَامَتِ امْرَأَةٌ مِنَ الأَنْصَارِ فَحَكَّتْهَا وَجَعَلَتْ مَكَانَهَا خَلُوقًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا أَحْسَنَ هَذَا " .

বর্ণনাকারী: হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ)

৭২৯। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদের কিবলার দিকে নাকের ময়লা দেখে এত রাগান্বিত হলেন যে, তাঁর চেহারা মুবারক রক্তিম বর্ণ ধারণ করল। তখন এক আনসারী মহিলা দাঁড়িয়ে তা মুছে ফেলে তদস্থলে খলুক নামক সুগন্ধি লাগিয়ে দিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এটা কতইনা উত্তম কাজ।

মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় যা বলতে হয়

القول عند دخول المسجد وعند الخروج منه

৭২৯

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ الْغَيْلاَنِيُّ، - بَصْرِيٌّ - قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، عَنْ رَبِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حُمَيْدٍ، وَأَبَا، أُسَيْدٍ يَقُولاَنِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ الْمَسْجِدَ فَلْيَقُلِ اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ وَإِذَا خَرَجَ فَلْيَقُلِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ " .

বর্ণনাকারী: আবু হুমায়দ সায়িদী (রাঃ)

৭৩০। সুলাইমান ইবনে উবাইদুল্লাহ গায়লানী বসরী (রাহঃ) ......... আব্দুল মালিক ইবনে সাঈদ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আবু হুমায়দ এবং আবু উসায়দকে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে তখন, সে যেন বলেঃاللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ [আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা রাহামাতিক] ″হে আল্লাহ! আমার জন্যে আপনার রহমতের দরজা খুলে দিন।″ আর যখন বের হয় তখন যেন বলেঃاللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ [আল্লাহুম্মা ইন্নি আস-আলুকা মিন ফাদলিক] ″হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার দয়া কামনা করছি।

বসার পর্বে নামাযের নির্দেশ।

الأمر بالصلاة قبل الجلوس فيه

৭৩০

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمِ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ "إِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ الْمَسْجِدَ فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ يَجْلِسَ" .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু কাতাদা আনসারী (রাঃ)

৭৩১। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আবু কাতাদা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে, তখন সে যেন বসার পূর্বে দু’রাকআত নামায আদায় করে।

নামায ব্যতীত মসজিদে বসা ও বের হওয়ার অনুমতি প্রদান।

الرخصة في الجلوس فيه والخروج منه بغير صلاة

৭৩১

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَأَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ كَعْبٍ، قَالَ سَمِعْتُ كَعْبَ بْنَ مَالِكٍ، يُحَدِّثُ حَدِيثَهُ حِينَ تَخَلَّفَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ قَالَ وَصَبَّحَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَادِمًا وَكَانَ إِذَا قَدِمَ مِنْ سَفَرٍ بَدَأَ بِالْمَسْجِدِ فَرَكَعَ فِيهِ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ جَلَسَ لِلنَّاسِ فَلَمَّا فَعَلَ ذَلِكَ جَاءَهُ الْمُخَلَّفُونَ فَطَفِقُوا يَعْتَذِرُونَ إِلَيْهِ وَيَحْلِفُونَ لَهُ وَكَانُوا بِضْعًا وَثَمَانِينَ رَجُلاً فَقَبِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلاَنِيَتَهُمْ وَبَايَعَهُمْ وَاسْتَغْفَرَ لَهُمْ وَوَكَلَ سَرَائِرَهُمْ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ حَتَّى جِئْتُ فَلَمَّا سَلَّمْتُ تَبَسَّمَ تَبَسُّمَ الْمُغْضَبِ ثُمَّ قَالَ " تَعَالَ " . فَجِئْتُ حَتَّى جَلَسْتُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَقَالَ لِي " مَا خَلَّفَكَ أَلَمْ تَكُنِ ابْتَعْتَ ظَهْرَكَ " . فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي وَاللَّهِ لَوْ جَلَسْتُ عِنْدَ غَيْرِكَ مِنْ أَهْلِ الدُّنْيَا لَرَأَيْتُ أَنِّي سَأَخْرُجُ مِنْ سَخَطِهِ وَلَقَدْ أُعْطِيتُ جَدَلاً وَلَكِنْ وَاللَّهِ لَقَدْ عَلِمْتُ لَئِنْ حَدَّثْتُكَ الْيَوْمَ حَدِيثَ كَذِبٍ لِتَرْضَى بِهِ عَنِّي لَيُوشَكُ أَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يُسْخِطُكَ عَلَىَّ وَلَئِنْ حَدَّثْتُكَ حَدِيثَ صِدْقٍ تَجِدُ عَلَىَّ فِيهِ إِنِّي لأَرْجُو فِيهِ عَفْوَ اللَّهِ وَاللَّهِ مَا كُنْتُ قَطُّ أَقْوَى وَلاَ أَيْسَرَ مِنِّي حِينَ تَخَلَّفْتُ عَنْكَ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَمَّا هَذَا فَقَدْ صَدَقَ فَقُمْ حَتَّى يَقْضِيَ اللَّهُ فِيكَ " . فَقُمْتُ فَمَضَيْتُ . مُخْتَصَرٌ

বর্ণনাকারী: হযরত কা‘ব ইবনে মালিক রাযি.

৭৩২। সুলাইমান ইবনে দাউদ (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে কাব (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কা’ব ইবনে মালিককে তাবুক যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে তার যোগদান থেকে বিরত থাকার ঘটনা বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভোরে তাবুক থেকে আগমন করলেন। তিনি যখন কোন সফর থেকে ফিরে আসতেন প্রথমে মসজিদে প্রবেশ করে দু-রাক’আত নামায আদায় করতেন। তারপর লোকদের সাথে বসতেন। এইবার যখন তিনি এরূপ করলেন তখন যারা জিহাদে যোগদান থেকে বিরত ছিল তারা এসে তাঁর নিকট যোগদান না করার অজুহাত পেশ করতে আরম্ভ করল এবং তার নিকট কসম করতে লাগল।

তারা সংখ্যায় আশিজনের অধিক ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের বাহ্যিক কারণগুলো মেনে নিলেন এবং তাদের বায়আত নিলেন এবং তাদের জন্য ক্ষমা চাইলেন। আর তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার আল্লাহর নিকট সোপর্দ করলেন। এমন সময় আমি সেখানে আসলাম। আমি যখন সালাম করলাম তিনি ক্রোধের হাসি হাসলেন। তারপর বললেনঃ আস।

আমি এসে তাঁর সম্মুখে বসে পড়লাম। তিনি বললেনঃ তোমাকে কিসে ফিরিয়ে রাখল তুমি কি সওয়ারী সংগ্রহ করেছিলে না? আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহর কসম! যদি আমি আপনি ছাড়া অন্য কোন দুনিয়াদারের সামনে উপবিষ্ট থাকতাম তা হলে আমার মনে হয় আমি তার ক্রোধ হতে বের হয়ে যেতে পারতাম, আমাকে বাক চাতুর্য দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর কসম! আমি জানি, আজ যদি আমি আপনার নিকট মিথ্যা কথা বলি, তাহলে তাতে আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন কিন্তু অচিরেই আল্লাহ তাআলা আপনাকে আমার উপর ক্রোধাম্বিত করে দিবেন।

আর যদি সত্য কথা বলি, তা হলে আপনি হয়ত আমার উপর ক্রোধাম্বিত হবেন। তবে আমি আল্লাহর ক্ষমা কামনা করি। আল্লাহর কসম! আমি যখন আপনার সাথে যুদ্ধে যাওয়া থেকে বিরত ছিলাম তখনকার চাইতে কোন সময় অধিক শক্তিশালী অথবা অধিক সম্পদশালী ছিলাম না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এ ব্যক্তি সত্য কথা বলেছে। উঠ, অপেক্ষা কর যে পর্যন্ত না আল্লাহ তোমার ব্যাপারে কোন ফয়সালা করেন। তখন আমি উঠে গেলাম।

মসজিদের নিকট দিয়ে গমনকারীর নামায।

صلاة الذي يمر على المسجد

৭৩২

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ بْنِ أَعْيَنَ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي هِلاَلٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي مَرْوَانُ بْنُ عُثْمَانَ، أَنَّ عُبَيْدَ بْنَ حُنَيْنٍ، أَخْبَرَهُ عَنْ أَبِي سَعِيدِ بْنِ الْمُعَلَّى، قَالَ كُنَّا نَغْدُو إِلَى السُّوقِ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَنَمُرُّ عَلَى الْمَسْجِدِ فَنُصَلِّي فِيهِ .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু সা'ঈদ ইবনুল মু'আল্লা রাযি.

৭৩৩। মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবুল হাকাম (রাহঃ) ......... আবু সাঈদ ইবনুল মুআল্লা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সময় আমরা ভোরে বাজারের দিকে যেতাম। তখন আমরা মসজিদের নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় নামায আদায় করতাম।

নামাযের অপেক্ষায় মসজিদে বসার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান।

الترغيب في الجلوس في المسجد وانتظار الصلاة

৭৩৩

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ الْمَلاَئِكَةَ تُصَلِّي عَلَى أَحَدِكُمْ مَا دَامَ فِي مُصَلاَّهُ الَّذِي صَلَّى فِيهِ مَا لَمْ يُحْدِثِ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৭৩৪। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ নামায আদায় করে যতক্ষণ মুসল্লায় বসে থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত ফিরিশতারা তার জন্য নিম্নরূপ দোয়া করতে থাকেনঃاللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ অর্থাৎ (হে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিন, হে আল্লাহ তার প্রতি দয়া করুন), যতক্ষণ যাবৎ না তার উযু ভঙ্গ হয়।

৭৩৪

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ، عَنْ عَيَّاشِ بْنِ عُقْبَةَ، أَنَّ يَحْيَى بْنَ مَيْمُونٍ، حَدَّثَهُ قَالَ سَمِعْتُ سَهْلاً السَّاعِدِيَّ، - رضى الله عنه - يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ كَانَ فِي الْمَسْجِدِ يَنْتَظِرُ الصَّلاَةَ فَهُوَ فى الصَّلاَةِ " .

বর্ণনাকারী: হযরত সাহল ইবনে সা'দ সাঈ'দী (রাঃ)

৭৩৫। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আইয়াশ ইবনে উকবা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। ইয়াহয়া ইবনে মাইমূন তাকে বলেছেন যে, তিনি সাহল আস-সাঈদী (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি মসজিদে নামাযের অপেক্ষায় থাকে সে যেন নামাযের মধ্যে থাকে।

উটশালায় নামায আদায়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা।

ذكر نهي النبي صلى الله عليه وسلم عن الصلاة في أعطان الإبل

৭৩৫

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ فِي أَعْطَانِ الإِبِلِ .

বর্ণনাকারী: আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল (রাঃ)

৭৩৬। আমর ইবনে আলী (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উটের বসার স্থানে নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেন।

এ ব্যাপারে অনুমতি

الرخصة في ذلك

৭৩৬

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ سُلَيْمَانَ، قَالَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ حَدَّثَنَا سَيَّارٌ، عَنْ يَزِيدَ الْفَقِيرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " جُعِلَتْ لِيَ الأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا أَيْنَمَا أَدْرَكَ رَجُلٌ مِنْ أُمَّتِي الصَّلاَةَ صَلَّى " .

বর্ণনাকারী: জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আনসারী (রাঃ)

৭৩৭। হাসান ইবনে ইসমাঈল ইবনে সুলাইমান (রাহঃ) ......... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার জন্য সমগ্র যমীনকে মসজিদ ও পবিত্রতা অর্জনের উপকরণ করে দেয়া হয়েছে। আমার উম্মতের যে ব্যক্তি যেখানেই নামায পায়- সেখানেই নামায আদায় করবে।

মাদুরের ওপর নামায

الصلاة على الحصير

৭৩৭

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأُمَوِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ، سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَأْتِيَهَا فَيُصَلِّيَ فِي بَيْتِهَا فَتَتَّخِذَهُ مُصَلًّى فَأَتَاهَا فَعَمَدَتْ إِلَى حَصِيرٍ فَنَضَحَتْهُ بِمَاءٍ فَصَلَّى عَلَيْهِ وَصَلَّوْا مَعَهُ .

বর্ণনাকারী: হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ)

৭৩৮। সাঈদ ইবনে ইয়াহয়া ইবনে সাঈদ উমাবী (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। উম্মে সুলায়ম (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট নিবেদন করলেন, তিনি যেন তার নিকট আগমন করে তাঁর ঘরে নামায আদায় করেন। তাহলে তিনি ঐ স্থানকে নামাযের স্থান নির্ধারণ করে নেবেন। তিনি তাঁর ঘরে আসলেন, তখন তিনি একটি চাটাইর ব্যবস্থা করলেন এবং পানি দ্বারা তা মুছে ফেললেন। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার উপর নামায আদায় করলেন এবং অন্য লোকেরাও তাঁর সাথে নামায আদায় করলেন।

শুধু সিজদা করা যায় এমন ক্ষুদ্র চাটাইয়ের এর উপর নামায

الصلاة على الخمرة

৭৩৮

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، - يَعْنِي الشَّيْبَانِيَّ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي عَلَى الْخُمْرَةِ .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন হযরত মাইমুনা (রাঃ)

৭৩৯। ইসমাঈল ইবনে মাসউদ (রাহঃ) ......... মায়মুনা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খুমরার[১] ওপর নামায আদায় করতেন।

[১] ঘুমরা খেজুর পাতার তৈরী ছোট চাটাইবিশেষ, যার উপর সালাত আদায়কালে শুধু সিজদা করা যায়।

মিম্বরের উপর নামায আদায় করা

الصلاة على المنبر

৭৩৯

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّ رِجَالاً، أَتَوْا سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ السَّاعِدِيَّ وَقَدِ امْتَرَوْا فِي الْمِنْبَرِ مِمَّ عُودُهُ فَسَأَلُوهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ وَاللَّهِ إِنِّي لأَعْرِفُ مِمَّ هُوَ وَلَقَدْ رَأَيْتُهُ أَوَّلَ يَوْمٍ وُضِعَ وَأَوَّلَ يَوْمٍ جَلَسَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَرْسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى فُلاَنَةَ امْرَأَةٍ قَدْ سَمَّاهَا سَهْلٌ " أَنْ مُرِي غُلاَمَكِ النَّجَّارَ أَنْ يَعْمَلَ لِي أَعْوَادًا أَجْلِسُ عَلَيْهِنَّ إِذَا كَلَّمْتُ النَّاسَ " . فَأَمَرَتْهُ فَعَمِلَهَا مِنْ طَرْفَاءِ الْغَابَةِ ثُمَّ جَاءَ بِهَا فَأَرْسَلَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَ بِهَا فَوُضِعَتْ هَا هُنَا ثُمَّ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَقِيَ فَصَلَّى عَلَيْهَا وَكَبَّرَ وَهُوَ عَلَيْهَا ثُمَّ رَكَعَ وَهُوَ عَلَيْهَا ثُمَّ نَزَلَ الْقَهْقَرَى فَسَجَدَ فِي أَصْلِ الْمِنْبَرِ ثُمَّ عَادَ فَلَمَّا فَرَغَ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ فَقَالَ " يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا صَنَعْتُ هَذَا لِتَأْتَمُّوا بِي وَلِتَعَلَّمُوا صَلاَتِي " .

বর্ণনাকারী: হযরত সাহল ইবনে সা'দ সাঈ'দী (রাঃ)

৭৪০। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আবু হাযিম ইবনে দীনার (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। কয়েকজন লোক সাহল ইবনে সাদে সাঈদী (রাযিঃ)-এর নিকট আসলেন, তারা মিম্বরের ব্যাপারে সন্দেহ করতে লাগলেন যে, তার কাঠ কোথা থেকে আনা হয়েছে। তারা তাঁকে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি জানি তা কোথা থেকে আনা হয়েছে। প্রথম যেদিন তা স্থাপন করা হয় এবং প্রথম যেদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাতে উপবেশন করেছিলেন, সেদিন আমি তা দেখেছিলাম।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জনৈক মহিলার নিকট লোক পাঠিয়ে বললেন যে, তোমার কাঠমিস্ত্রি গোলামকে আদেশ কর- সে যেন আমার জন্য একটা কাঠের মিম্বর তৈরী করে দেয়- আমি লোকের সাথে কথা বলার সময় তাতে বসব। ঐ রমনী তাকে আদেশ করলে সে অরণ্যের ঝাউ বৃক্ষের কাঠ দ্বারা তা বানালো এবং মহিলার কাছে তা নিয়ে আসল। সে মহিলা তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট পাঠিয়ে দিলেন। এরপর তাঁর নির্দেশে তা এখানে রাখা হলো।

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে তাতে আরোহণ করে নামায আদায় করতে দেখেছি। তিনি এর উপর থেকেই তাকবীর বললেন ও রুকু করলেন। তারপর তিনি পেছনে সরে মিম্বরের মূলে সিজদা করলেন। তিনি পুনরায় মিন্বরে আরোহণ করলেন। তারপর তিনি নামায শেষ করে লোকের দিকে মুখ করে বললেনঃ হে লোক সকল! আমি এরূপ করলাম যাতে তোমরা আমার ইক্তিদা করতে পার এবং আমার নামায সম্পর্কে তোমরা জানতে পার।

গাধার উপর নামায

الصلاة على الحمار

৭৪০

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَهُوَ مُتَوَجِّهٌ إِلَى خَيْبَرَ .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ)

৭৪১। কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে গাধার ওপর নামায আদায় করতে দেখেছি। তখন তিনি খায়বর অভিমুখী ছিলেন।

৭৪১

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَهُوَ رَاكِبٌ إِلَى خَيْبَرَ وَالْقِبْلَةُ خَلْفَهُ . قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ لاَ نَعْلَمُ أَحَدًا تَابَعَ عَمْرَو بْنَ يَحْيَى عَلَى قَوْلِهِ يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَحَدِيثُ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ أَنَسٍ الصَّوَابُ مَوْقُوفٌ وَاللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى أَعْلَمُ .

বর্ণনাকারী: হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ)

৭৪২। মুহাম্মাদ ইবনে মনসুর (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে গাধার ওপর নামায আদায় করতে দেখেছেন। তখন তিনি খায়বর অভিমুখী ছিলেন আর কিবলা ছিল তার পেছনে।