ব্যাংক ও বীমা অফিসে চাকুরী করা
প্রশ্ন
বীমা করা জায়েয আছে কি? ব্যাংক ও বীমা অফিসে চাকুরী করা কেমন?
উত্তর
প্রচলিত সকল ব্যাংক সূদ ভিত্তিক পরিচালিত হয় আর বীমা বা ইন্সুরেন্স গুলোতে সূদ ও জুয়া উভয়টাই বিদ্যমান। কারণ দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে বীমা কর্তৃপক্ষ যে টাকা পরিশোধ করে তা শরী‘আতের দৃষ্টিতে জুয়ার অন্তর্ভুক্ত। আর সাধারণভাবে যে লাভ দেয় তা সূদের মধ্যে গণ্য। ব্যাংকে শুধু সূ হয়। আর বীমায় সুদ ও জুয়া উভয়টাই হয়। সুতরাং ব্যাংকের চেয়ে বীমা অফিস আরো জঘন্য কেন্দ্র। তাই শরী‘আতের বিধান অনুযায়ী সেখানে চাকরী করা বা এ্যাকাউন্ট খোলা কোনটাই জায়েয নেই। কুরআন-হাদীসের বহু স্থানে সূদ ও জুয়ার ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও হুশিয়ারী এসেছে। কুরআনে সূদ জুয়া উভয়টাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। অতএব একজন মুসলমান যার কুরআন হাদীসের উপর বিশ্বাস রয়েছে সে কখনও সূদ জুয়ার মধ্যে জড়িত হতে পারে না। অবশ্য কেউ ব্যাংক বা বীমা মেম্পানীতে চাকুরী নিয়ে ফেললে এবং সেই চাকুরীর উপর নির্ভরশীল হলে, হঠাৎ করে চাকুরী ছেড়ে দেবে না। বরং হালাল চাকুরী না পাওয়া পর্যন্ত উক্ত চাকুরী করতে থাকবে এবং আল্লাহর দরবারে ইস্তিগফার করতে থাকবে। সরকারী কানুনের জন্য বাধ্য হয়ে কেউ যদি বীমা করে তাহলে তার জন্য হুকুম হল বীমা কর্তৃপক্ষ থেকে কোন প্রকার সুবিধা গ্রহণ করা তার জন্য জায়েয হবে না বরং সে সব লাভ সাওয়াবের নিয়ত ছাড়াই গরীব মিসকিনদের মধ্যে বন্টন করে দেবে। (রহীমিয়াহ ১৯৪/২)