كتاب النذر

২৭- মান্নতের যাবতীয় বিধান

অধ্যায় ২৭ · ১৯ টি হাদীস

১. মান্নত পূর্ণ করার আদেশ

باب الأَمْرِ بِقَضَاءِ النَّذْرِ

৪০৮৯

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رُمْحِ بْنِ الْمُهَاجِرِ، قَالاَ أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ، عَبَّاسٍ أَنَّهُ قَالَ اسْتَفْتَى سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي نَذْرٍ كَانَ عَلَى أُمِّهِ تُوُفِّيَتْ قَبْلَ أَنْ تَقْضِيَهُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فَاقْضِهِ عَنْهَا" .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি.

৪০৮৯। ইয়াহয়া ইবনে ইয়াহয়া তামীমী, মুহাম্মাদ ইবনে রুমহ ইবনে মুহাজির ও কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সা’দ ইবনে উবাদা (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট সে মানতের কথা জিজ্ঞাসা করেন, যা তার মায়ের যিম্মায় ছিল, কিন্তু তিনি তা পূর্ণ করার আগেই মারা যান। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি তার পক্ষ থেকে তা আদায় কর।

৪০৯০

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، ح وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، ح وَحَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ بَكْرِ بْنِ وَائِلٍ، كُلُّهُمْ عَنِ الزُّهْرِيِّ، . بِإِسْنَادِ اللَّيْثِ وَمَعْنَى حَدِيثِهِ .

বর্ণনাকারী: বিবিধ

৪০৯০। ইয়াহয়া ইবনে ইয়াহয়া, আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা, আমর আন নাকিদ, ইসহাক ইবনে ইবরাহীম, হারামালা ইবনে ইয়াহয়া, আব্দ ইবনে হুমায়দ ও উসমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) বিভিন্ন সনদে ......... সবাই যুহরী (রাহঃ) এর সূত্রে লাঈস (রাহঃ) এর বর্ণিত সনদের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন।

২. মানতের নিষেধাজ্ঞা আর তা কিছুই ফিরিয়ে দেয় না

باب النَّهْىِ عَنِ النَّذْرِ، وَأَنَّهُ، لاَ يَرُدُّ شَيْئًا

৪০৯১

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ، زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا يَنْهَانَا عَنِ النَّذْرِ وَيَقُولُ " إِنَّهُ لاَ يَرُدُّ شَيْئًا وَإِنَّمَا يُسْتَخْرَجُ بِهِ مِنَ الشَّحِيحِ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ)

৪০৯১। যুহাইর ইবনে হারব ও ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদা আমাদেরকে মান্নত করা থেকে নিষেধ করতে লাগলেন এবং বলেন যে, তা (তাকদীরের) কিছুই ফিরিয়ে দেয় না। তবে এর মাধ্যমে কৃপনদের হাত থেকে কিছু বের করা হয়।

৪০৯২

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَكِيمٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ، دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " النَّذْرُ لاَ يُقَدِّمُ شَيْئًا وَلاَ يُؤَخِّرُهُ وَإِنَّمَا يُسْتَخْرَجُ بِهِ مِنَ الْبَخِيلِ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ)

৪০৯২। মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মান্নত (তাকদিরের) কোন কিছুকে না এগিয়ে আনতে পারে, আর না পিছিয়ে দিতে পারে। তবে এর মাধ্যমে কৃপণ থেকে কিছু বের করা হয়।

৪০৯৩

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ بَشَّارٍ - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ الْمُثَنَّى - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ نَهَى عَنِ النَّذْرِ وَقَالَ " إِنَّهُ لاَ يَأْتِي بِخَيْرٍ وَإِنَّمَا يُسْتَخْرَجُ بِهِ مِنَ الْبَخِيلِ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ)

৪০৯৩। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা, মুহাম্মাদ ইবনে মুসান্না ও ইবনে বাশশার (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) সূত্রে নবী (ﷺ)থেকে বর্ণিত, তিনি মান্নত নিষেধ করেছেন। আর বলেছেন, তা কোন রকম কল্যাণ বয়ে আনে না। তবে এর মাধ্যমে কৃপণ থেকে কিছু বের করা হয়।

৪০৯৪

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا مُفَضَّلٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ، بْنُ الْمُثَنَّى وَابْنُ بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، كِلاَهُمَا عَنْ مَنْصُورٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَ حَدِيثِ جَرِيرٍ .

বর্ণনাকারী: বিবিধ

৪০৯৪। মুহাম্মাদ ইবনে রাফি, মুহাম্মাদ ইবনে মুসান্না ও ইবনে বাশশার (রাযিঃ) ......... উক্ত সনদে জারীরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।

৪০৯৫

وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي الدَّرَاوَرْدِيَّ - عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَنْذُرُوا فَإِنَّ النَّذْرَ لاَ يُغْنِي مِنَ الْقَدَرِ شَيْئًا وَإِنَّمَا يُسْتَخْرَجُ بِهِ مِنَ الْبَخِيلِ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৪০৯৫। কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা মান্নত করো না। কারণ, মান্নত তাকদীরের বিপরীতে কোন কাজে আসে না। তার মাধ্যমে কেবল কৃপণের মালই বের করা হয়।

৪০৯৬

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ الْعَلاَءَ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ نَهَى عَنِ النَّذْرِ وَقَالَ " إِنَّهُ لاَ يَرُدُّ مِنَ الْقَدَرِ وَإِنَّمَا يُسْتَخْرَجُ بِهِ مِنَ الْبَخِيلِ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৪০৯৬। মুহাম্মাদ ইবনে মুসান্না ও ইবনে বাশশার (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) মান্নত করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন, তা তাকদীরের কিছু ফিরাতে পারে না। এর মাধ্যমে কেবলমাত্র কৃপণ থেকে কিছু বের করা হয়।

৪০৯৭

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَعَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - وَهُوَ ابْنُ جَعْفَرٍ - عَنْ عَمْرٍو، - وَهْوَ ابْنُ أَبِي عَمْرٍو - عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ النَّذْرَ لاَ يُقَرِّبُ مِنِ ابْنِ آدَمَ شَيْئًا لَمْ يَكُنِ اللَّهُ قَدَّرَهُ لَهُ وَلَكِنِ النَّذْرُ يُوَافِقُ الْقَدَرَ فَيُخْرَجُ بِذَلِكَ مِنَ الْبَخِيلِ مَا لَمْ يَكُنِ الْبَخِيلُ يُرِيدُ أَنْ يُخْرِجَ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৪০৯৭। ইয়াহয়া ইবনে আইয়ুব, কুতায়বা ইবনে সাঈদ ও আলী ইবনে হুজর (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ মান্নত এমন কোন বস্তুকে মানুষের নিকটে এনে দেয় না, যা আল্লাহ তার তাকদীরে রাখেননি। কিন্তু মান্নত তাকদীরের অনুকূলে হয়ে এর দ্বারা কৃপণের সেই মাল বের করা হয়, যা বের করতে সে ইচ্ছুক ছিল না।

৪০৯৮

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَارِيَّ - وَعَبْدُ الْعَزِيزِ - يَعْنِي الدَّرَاوَرْدِيَّ - كِلاَهُمَا عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .

বর্ণনাকারী: বিবিধ

৪০৯৮। কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... আমর ইবনে আবু আমর (রাহঃ) এর সূত্রে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেন।

৩. আল্লাহর নাফরমানীর মান্নত পূর্ণ করা যাবে না এবং বান্দা যার মালিক নয় তাতেও (মান্নত সাব্যস্ত হবে না)

باب لاَ وَفَاءَ لِنَذْرٍ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ وَلاَ فِيمَا لاَ يَمْلِكُ الْعَبْدُ

৪০৯৯

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَعَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، - وَاللَّفْظُ لِزُهَيْرٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ كَانَتْ ثَقِيفُ حُلَفَاءَ لِبَنِي عُقَيْلٍ فَأَسَرَتْ ثَقِيفُ رَجُلَيْنِ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَسَرَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً مِنْ بَنِي عُقَيْلٍ وَأَصَابُوا مَعَهُ الْعَضْبَاءَ فَأَتَى عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ فِي الْوَثَاقِ قَالَ يَا مُحَمَّدُ . فَأَتَاهُ فَقَالَ " مَا شَأْنُكَ " . فَقَالَ بِمَ أَخَذْتَنِي وَبِمَ أَخَذْتَ سَابِقَةَ الْحَاجِّ فَقَالَ إِعْظَامًا لِذَلِكَ " أَخَذْتُكَ بِجَرِيرَةِ حُلَفَائِكَ ثَقِيفَ " . ثُمَّ انْصَرَفَ عَنْهُ فَنَادَاهُ فَقَالَ يَا مُحَمَّدُ يَا مُحَمَّدُ . وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَحِيمًا رَقِيقًا فَرَجَعَ إِلَيْهِ فَقَالَ " مَا شَأْنُكَ " . قَالَ إِنِّي مُسْلِمٌ . قَالَ " لَوْ قُلْتَهَا وَأَنْتَ تَمْلِكُ أَمْرَكَ أَفْلَحْتَ كُلَّ الْفَلاَحِ " . ثُمَّ انْصَرَفَ فَنَادَاهُ فَقَالَ يَا مُحَمَّدُ يَا مُحَمَّدُ . فَأَتَاهُ فَقَالَ " مَا شَأْنُكَ " . قَالَ إِنِّي جَائِعٌ فَأَطْعِمْنِي وَظَمْآنُ فَأَسْقِنِي . قَالَ " هَذِهِ حَاجَتُكَ " . فَفُدِيَ بِالرَّجُلَيْنِ - قَالَ - وَأُسِرَتِ امْرَأَةٌ مِنَ الأَنْصَارِ وَأُصِيبَتِ الْعَضْبَاءُ فَكَانَتِ الْمَرْأَةُ فِي الْوَثَاقِ وَكَانَ الْقَوْمُ يُرِيحُونَ نَعَمَهُمْ بَيْنَ يَدَىْ بُيُوتِهِمْ فَانْفَلَتَتْ ذَاتَ لَيْلَةٍ مِنَ الْوَثَاقِ فَأَتَتِ الإِبِلَ فَجَعَلَتْ إِذَا دَنَتْ مِنَ الْبَعِيرِ رَغَا فَتَتْرُكُهُ حَتَّى تَنْتَهِيَ إِلَى الْعَضْبَاءِ فَلَمْ تَرْغُ قَالَ وَنَاقَةٌ مُنَوَّقَةٌ فَقَعَدَتْ فِي عَجُزِهَا ثُمَّ زَجَرَتْهَا فَانْطَلَقَتْ وَنَذِرُوا بِهَا فَطَلَبُوهَا فَأَعْجَزَتْهُمْ - قَالَ - وَنَذَرَتْ لِلَّهِ إِنْ نَجَّاهَا اللَّهُ عَلَيْهَا لَتَنْحَرَنَّهَا فَلَمَّا قَدِمَتِ الْمَدِينَةَ رَآهَا النَّاسُ . فَقَالُوا الْعَضْبَاءُ نَاقَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَقَالَتْ إِنَّهَا نَذَرَتْ إِنْ نَجَّاهَا اللَّهُ عَلَيْهَا لَتَنْحَرَنَّهَا . فَأَتَوْا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرُوا ذَلِكَ لَهُ . فَقَالَ " سُبْحَانَ اللَّهِ بِئْسَمَا جَزَتْهَا نَذَرَتْ لِلَّهِ إِنْ نَجَّاهَا اللَّهُ عَلَيْهَا لَتَنْحَرَنَّهَا لاَ وَفَاءَ لِنَذْرٍ فِي مَعْصِيَةٍ وَلاَ فِيمَا لاَ يَمْلِكُ الْعَبْدُ " . وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ حُجْرٍ " لاَ نَذْرَ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ " .

বর্ণনাকারী: হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন রাযি.

৪০৯৯। যুহাইর ইবনে হারব ও আলী ইবনে হুজর সা’দী (রাহঃ) ......... ইমরান ইবনে হুসাইন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাকীফ গোত্র ছিল বনু উকায়ল গোত্রের মিত্র। সাফীফ গোত্রের লোকেরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর দুজন সাহাবীকে বন্দী করে। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাহাবীরা বনু উকায়ল গোত্রের এক ব্যক্তিকে বন্দী করে এবং তার সাথে আযবা (নাম্নী উট) কেও আটক করে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার কাছে আসলেন। তখন সে বাধা অবস্থায় ছিল। সে ডাক দিল, ইয়া মুহাম্মাদ! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার নিকট এলেন এবং বললেনঃ তোমার কী অবস্থা? সে বললো, আমাকে কী কারণে বন্দী করেছেন? আর কেনই বা হাজ্জীদের অগ্রগামী উটকে আটক করেছেন?

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, (বিরাট কারণে)। তোমার মিত্র সাকীফ গোত্রের অপরাধের জন্য (তোমাকে বন্দী করেছি)। এরপর তিনি তার কাছ থেকে ফিরলেন। সে আবার তাঁকে ডেকে বলছেন, ইয়া মুহাম্মাদ! ইয়া মুহাম্মাদ! আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ছিলেন বড়ই দয়ালু এবং নম্র স্বভাবের। তাই তিনি তার দিকে আবার এলেন, এবং বললেন, তোমার কি অবস্থা? সে বললো, আমি একজন মুসলমান। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি যদি এ কথা তখন বলতে, যখন তোমার ব্যাপার তোমার অধিকারে ছিল, তবে তুমি পুরোপুরি সফল হতে।

এরপর তিনি ফিরলেন। সে আবারও তাকে ডাক দিয়ে বললো, ইয়া মুহাম্মাদ! ইয়া মুহাম্মাদ! তিনি আবার তার কাছে এলেন এবং বললেন, তোমার কী হয়েছে? সে বললো, আমি ক্ষুধার্ত, আমাকে খাবার দিন, এবং তৃষ্ণার্ত, আমাকে পান করান। নবী (ﷺ) বললেন, এটা তোমার (স্বীকার্য) প্রয়োজন? অতঃপর তাকে সেই দু’ব্যক্তির বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হয়।

রাবী বলেন, একবার এক আনসার মহিলা বন্দী হয় এবং আযবা নাম্নী উট (তাদের হাতে) ধরা পড়ে। মহিলাটি বাধা অবস্থায় ছিল। গোত্রের লোকদের নিয়ম ছিল বিকালে তারা তাদের পশু তাদের বাড়ি ঘরের সামনে রাখত। এক রাতে সে মহিলা বন্ধন মুক্ত হয়ে পলায়ন করে এবং উটের কাছে আসে। সে যখনই কোন উটের কাছে আসতো, উট আওয়াজ করতো এবং তখন সে তাকে পরিত্যাগ করতো। অবশেষে সে আযবার কাছে এসে পৌছে। আযবা কোন আওয়াজ করলো না। এ ছিল বড়ই বাধ্যগত উটনী। সে তার পিঠের উপর বসে এবং তাকে হাঁকা দিলে সে চলতে থাকে।

তখন তারা তার পলায়ন টের পেয়ে গেল এবং তার অন্বেষণে ছুটল। কিন্তু আযবা তাদেরকে ব্যর্থ করে দেয়। রাবী বলেন, মহিলাও আল্লাহর নামে মান্নত করে যে, আল্লাহ যদি এ উটের সাহায্যে তাকে মুক্তি দেন, তবে সে অবশ্যই উটকে কুরবানী করবে। যখন সে মদীনায় পৌঁছে, তখন লোকজন তাকে দেখে বললো, এতো রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর উট আযবা। তখন সে বলল যে, সে মান্নত করেছে যে, আল্লাহ যদি তাকে এ উটের উপর রক্ষা করেন, তবে সে অবশ্যই তাকে কুরবানী দিবে।

তারপর তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট এসে ঘটনাটি তাকে বললো। তিনি বললেন, ’সুবাহানাল্লাহ’ কি মন্দ প্রতিদান, যা সে তাকে দিয়েছে। সে আল্লাহর নামে মান্নত করেছে যে, যদি আল্লাহ তাকে এ উটের উপর রক্ষা করেন তবে সে তাকেই কুরবানী করে দিবে। (জেনে রাখ) পাপের ব্যাপারে মান্নত করলে সে মান্নত পূরণ করতে নেই। আর বান্দা যার মালিক নয় সে বস্তুর মান্নতও পূরণযোগ্য নয়। ইবনে হুজর (রাহঃ) এর বর্ণনায় আছে যে, আল্লাহর নাফরমানীর বিষয়ে মান্নত সংঘটিত হয় না।
৪১০০

حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الْعَتَكِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ عَنْ عَبْدِ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيِّ، كِلاَهُمَا عَنْ أَيُّوبَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ وَفِي حَدِيثِ حَمَّادٍ قَالَ كَانَتِ الْعَضْبَاءُ لِرَجُلٍ مِنْ بَنِي عُقَيْلٍ وَكَانَتْ مِنْ سَوَابِقِ الْحَاجِّ وَفِي حَدِيثِهِ أَيْضًا فَأَتَتْ عَلَى نَاقِةٍ ذَلُولٍ مُجَرَّسَةٍ . وَفِي حَدِيثِ الثَّقَفِيِّ وَهِيَ نَاقَةٌ مُدَرَّبَةٌ .

বর্ণনাকারী: আইয়ুব সাখতিয়ানী (রহঃ)

৪১০০। আবু রাবী আল আতাকী, ইসহাক ইবনে ইবরাহীম ও ইবনে আবু উমর (রাহঃ) ......... আইয়ুব (রাহঃ) এর সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবু হাম্মাদ (রাহঃ) বর্ণিত হাদীসে আছে যে, ’আযবা’ ছিল উকায়ল গোত্রের জনৈক ব্যক্তির এবং হাজীদের উটের মধ্যে অগ্রগামী। তার হাদীসে আরও আছে যে, মহিলাটি একটি উটের নিকট আসে, যা ছিল বাধ্যগত ও সওয়ারীতে অভ্যস্ত। আর সাকাফীর হাদীসে আছে যে, তা ছিল একটি প্রশিক্ষিত উট।

৪. যিনি হেঁটে কাবায় যাবেন বলে মান্নত করেন

باب مَنْ نَذَرَ أَنْ يَمْشِيَ إِلَى الْكَعْبَةِ

৪১০১

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، ح. وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، حَدَّثَنِي ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَىَ شَيْخًا يُهَادَى بَيْنَ ابْنَيْهِ فَقَالَ " مَا بَالُ هَذَا " . قَالُوا نَذَرَ أَنْ يَمْشِيَ . قَالَ " إِنَّ اللَّهَ عَنْ تَعْذِيبِ هَذَا نَفْسَهُ لَغَنِيٌّ " . وَأَمَرَهُ أَنْ يَرْكَبَ .

বর্ণনাকারী: হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ)

৪১০১। ইয়াহয়া ইবনে ইয়াহয়া তামীমী ও ইবনে আবু উমর (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে নবী (ﷺ) একবার এক বৃদ্ধকে দেখলেন যে, সে তার দুই পুত্রের উপর ভর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। তখন তিনি বললেন, এর অবস্থা কি? তারা বললো, সে হেটে (হজ্জে) যাওয়ার মান্নত করেছে। তিনি বললেন, তার এভাবে নিজেকে শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে আল্লাহ তাআলার কোন প্রয়োজন নেই। অতঃপর তিনি তাকে সওয়ার হতে আদেশ করলেন।

৪১০২

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - وَهُوَ ابْنُ جَعْفَرٍ - عَنْ عَمْرٍو، - وَهُوَ ابْنُ أَبِي عَمْرٍو - عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَدْرَكَ شَيْخًا يَمْشِي بَيْنَ ابْنَيْهِ يَتَوَكَّأُ عَلَيْهِمَا فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " مَا شَأْنُ هَذَا " . قَالَ ابْنَاهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَانَ عَلَيْهِ نَذْرٌ . فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " ارْكَبْ أَيُّهَا الشَّيْخُ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنْكَ وَعَنْ نَذْرِكَ " . وَاللَّفْظُ لِقُتَيْبَةَ وَابْنِ حُجْرٍ .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৪১০২। ইয়াহয়া ইবনে আইয়ুব, কুতায়বা ও ইবনে হুজর (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, একবার নবী (ﷺ) এক বৃদ্ধকে দেখতে পান সে তার দুই পূত্রের মাঝে তাদের উপর ভর দিয়ে চলেছে। তিনি বললেন, এ ব্যক্তির কী ব্যাপার? তার দুই পুত্র বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! তার উপর (হেঁটে যাওয়ার) মান্নত ছিল। নবী (ﷺ) বললেনঃ ওহে বৃদ্ধ! তুমি আরোহণ কর। কেননা আল্লাহ তোমার ও তোমার মানতের মুখাপেক্ষী নন। (এ শব্দ ভাষ্য হল কুতায়বা ও ইবনে হুজর (রাহঃ) এর।)

৪১০৩

وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي الدَّرَاوَرْدِيَّ - عَنْ عَمْرِو، بْنِ أَبِي عَمْرٍو بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .

বর্ণনাকারী: বিবিধ

৪১০৩। কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... আমর ইবনে আবু আমর (রাহঃ) এর সূত্রে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেন।

৪১০৪

وَحَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ بْنُ يَحْيَى بْنِ صَالِحٍ الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُفَضَّلُ، - يَعْنِي ابْنَ فَضَالَةَ - حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، أَنَّهُ قَالَ نَذَرَتْ أُخْتِي أَنْ تَمْشِيَ، إِلَى بَيْتِ اللَّهِ حَافِيَةً فَأَمَرَتْنِي أَنْ أَسْتَفْتِيَ لَهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَفْتَيْتُهُ فَقَالَ " لِتَمْشِ وَلْتَرْكَبْ " .

বর্ণনাকারী: হযরত উকবা ইবন আমির রাযি.

৪১০৪। যাকারিয়া ইবনে ইয়াহয়া ইবনে সালিহ মিসরী (রাহঃ) ......... উকবা ইবনে আমির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার বোন খালি পায়ে হেঁটে বায়তুল্লাহ যাওয়ার মান্নত করে। সে আমাকে তার পক্ষে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট ফাতওয়া জানার জন্য আদেশ করে। আমি তাঁর কাছে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, সে পায়ে হেঁটে ও আরোহণ করে যাক।

৪১০৫

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنَا سَعِيدُ، بْنُ أَبِي أَيُّوبَ أَنَّ يَزِيدَ بْنَ أَبِي حَبِيبٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا الْخَيْرِ حَدَّثَهُ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ، أَنَّهُ قَالَ نَذَرَتْ أُخْتِي . فَذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ مُفَضَّلٍ وَلَمْ يَذْكُرْ فِي الْحَدِيثِ حَافِيَةً . وَزَادَ وَكَانَ أَبُو الْخَيْرِ لاَ يُفَارِقُ عُقْبَةَ .

বর্ণনাকারী: হযরত উকবা ইবন আমির রাযি.

৪১০৫। মুহাম্মাদ ইবনে রাফি (রাহঃ) ......... উকবা ইবনে আমির জুহানী (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার বোন মান্নত করে, পরবর্তী অংশ মুফাজ্জাল বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। এ হাদীসে তিনি حَافِيَةً (নগ্ন পায়ে) শব্দটি উল্লেখ করেন নি এবং অতিরিক্ত বলেছেন যে, আবুল খায়ের (রাহঃ) উকবা (রাযিঃ) থেকে পৃথক হতেন না।’

৪১০৬

وَحَدَّثَنِيهِ مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، وَابْنُ أَبِي خَلَفٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ، جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، أَنَّ يَزِيدَ بْنَ أَبِي حَبِيبٍ، أَخْبَرَهُ بِهَذَا الإِسْنَادِ، . مِثْلَ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ .

বর্ণনাকারী: ইয়াযীদ ইবনে আবু হাবীব (রহঃ)

৪১০৬। মুহাম্মাদ ইবনে হাতিম ও ইবনে আবু খালফ (রাহঃ) ......... ইয়াযীদ ইবনে আবু হাবীব (রাহঃ) এর সূত্রে উক্ত সনদে আব্দুর রাযযক (রাহঃ) এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।

৫. মানতের কাফফারা

باب فِي كَفَّارَةِ النَّذْرِ

৪১০৭

وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، وَيُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، وَأَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، قَالَ يُونُسُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ كَعْبِ بْنِ، عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ شُمَاسَةَ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " كَفَّارَةُ النَّذْرِ كَفَّارَةُ الْيَمِينِ " .

বর্ণনাকারী: হযরত উকবা ইবন আমির রাযি.

৪১০৭। হারুন সাঈদ আয়লী, ইউনুস ইবনে আ’লা ও আহমাদ ইবনে ঈসা (রাহঃ) ......... উকবা ইবনে আমির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মানতের কাফফারা কসমের কাফফারার অনুরূপ।