كتاب الأقضية

৩১- আদালত-বিচার-সাক্ষ্য-শুনানির বিধান

অধ্যায় ৩১ · ২৮ টি হাদীস

১. শপথ বিবাদীর জন্য প্রযোজ্য

باب الْيَمِينُ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ

৪৩২১

حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَرْحٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَوْ يُعْطَى النَّاسُ بِدَعْوَاهُمْ لاَدَّعَى نَاسٌ دِمَاءَ رِجَالٍ وَأَمْوَالَهُمْ وَلَكِنَّ الْيَمِينَ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি.

৪৩২১। আবু তাহির আহমাদ ইবনে আমর ইবনে সারহ (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যদি লোকের দাবী অনুসারে তাদের প্রার্থিত বস্তু প্রদান করা হতো তবে যে কোন লোক অপর ব্যক্তির জানমাল দাবী করে বসতো। তাই বিবাদীর জন্য শপথ নেয়ার বিধান রয়েছে।

৪৩২২

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ، أَبِي مُلَيْكَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِالْيَمِينِ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি.

৪৩২২। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিবাদী থেকে (আল্লাহর নামে) শপথ নেয়ার মাধ্যমে ফায়সালা দিয়েছেন।

২(ক). এক সাক্ষী ও এক শপথে বিচার করার বৈধতা

باب الْقَضَاءِ بِالْيَمِينِ وَالشَّاهِدِ ‏‏

৪৩২৩

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا زَيْدٌ، - وَهُوَ ابْنُ حُبَابٍ - حَدَّثَنِي سَيْفُ بْنُ سُلَيْمَانَ، أَخْبَرَنِي قَيْسُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِيَمِينٍ وَشَاهِدٍ .

বর্ণনাকারী: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি.

৪৩২৩। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিবাদীর (কসম) শপথ গ্রহণ এবং একজন সাক্ষীর মাধ্যমে মুকদ্দমা নিষ্পত্তি করেছেন।

২(খ). বিচারকের বাহ্যিক ফায়সালা ও দাবী উত্থাপনে বাকপটুতার আশ্রয় গ্রহণ নিন্দনীয়

باب الْحُكْمِ بِالظَّاهِرِ وَاللَّحْنِ بِالْحُجَّةِ ‏‏

৪৩২৪

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّكُمْ تَخْتَصِمُونَ إِلَىَّ وَلَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ فَأَقْضِي لَهُ عَلَى نَحْوٍ مِمَّا أَسْمَعُ مِنْهُ فَمَنْ قَطَعْتُ لَهُ مِنْ حَقِّ أَخِيهِ شَيْئًا فَلاَ يَأْخُذْهُ فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ بِهِ قِطْعَةً مِنَ النَّارِ " .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন উম্মে সালামা (রাঃ)

৪৩২৪। ইয়াহয়া ইবনে ইয়াহয়া তামীমী (রাহঃ) ......... উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা মুকাদ্দমা নিয়ে আমার কাছে আগমন করে থাক এবং তোমাদের একজন অপরজন অপেক্ষা যুক্তিতর্কে অধিক বাকপটু হয়ে থাকে। স্বীয় দাবী প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করো। আমি কথা শুনে তার অনুকূলে রায় প্রদান করি। সুতরাং এতে যদি তার ভাইয়ের হকের কিছু তাকে প্রদান করি (বাস্তবে হয়ত এতে তার কোন অধিকারই নেই) তখন তার কর্তব্য হবে তা গ্রহণ না করা। কেননা, এতে যেন আমি তাকে জাহান্নামের এক খণ্ড অগ্নি প্রদান করলাম।

৪৩২৫

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ، نُمَيْرٍ كِلاَهُمَا عَنْ هِشَامٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .

বর্ণনাকারী: বিবিধ

৪৩২৫। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা ও আবু কুরাইব হিশাম (রাহঃ) ......... থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

৪৩২৬

وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ جَلَبَةَ خَصْمٍ بِبَابِ حُجْرَتِهِ فَخَرَجَ إِلَيْهِمْ فَقَالَ " إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ وَإِنَّهُ يَأْتِينِي الْخَصْمُ فَلَعَلَّ بَعْضَهُمْ أَنْ يَكُونَ أَبْلَغَ مِنْ بَعْضٍ فَأَحْسِبُ أَنَّهُ صَادِقٌ فَأَقْضِي لَهُ فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ بِحَقِّ مُسْلِمٍ فَإِنَّمَا هِيَ قِطْعَةٌ مِنَ النَّارِ فَلْيَحْمِلْهَا أَوْ يَذَرْهَا " .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন উম্মে সালামা (রাঃ)

৪৩২৬। হারামালা ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) ......... নবী (ﷺ) এর সহধর্মিনী উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার হুজরার দ্বার প্রাস্তে জনৈক ঝগড়াকারীর শোরগোল শুনতে পেলেন। তখন তিনি তাদের কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেন, আমি তো একজন মানুষ। তবে আমার কাছে যখন কোন বাদী বিবাদী আসে তখন হয়ত একজন অপরজন থেকে অধিক বাকপটু হয়। আর আমি মনে করি যে, সেই সত্যবাদী। আমি যার পক্ষে মুসলিমদের হকের ব্যাপারে রায় দেই, তা বস্তুত জাহান্নামের একটি টুকরা। সুতরাং সে তা গ্রহণ করুক কিংবা ছেড়ে দিক (তা তার ইচ্ছা)।

৪৩২৭

وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، كِلاَهُمَا عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَ حَدِيثِ يُونُسَ . وَفِي حَدِيثِ مَعْمَرٍ قَالَتْ سَمِعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لَجَبَةَ خَصْمٍ بِبَابِ أُمِّ سَلَمَةَ .

বর্ণনাকারী: ইবনে শিহাব যুহরী (রহঃ)

৪৩২৭। আমর আন নাকিদ আব্দ ইবনে হুমাইদ (রাহঃ) ......... যুহরী (রাহঃ) থেকে একই সূত্রে ইউনূস (রাহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর মা’মার (রাহঃ) এর হাদীসে جلبة এর পরিবর্তে لَجَبَةَ خَصْمٍ بِبَابِ أُمِّ سَلَمَةَ উল্লেখ রয়েছে।

৩. হিন্দা (রাযিঃ) এর ঘটনা

باب قَضِيَّةِ هِنْدٍ

৪৩২৮

حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ دَخَلَتْ هِنْدٌ بِنْتُ عُتْبَةَ امْرَأَةُ أَبِي سُفْيَانَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ شَحِيحٌ لاَ يُعْطِينِي مِنَ النَّفَقَةِ مَا يَكْفِينِي وَيَكْفِي بَنِيَّ إِلاَّ مَا أَخَذْتُ مِنْ مَالِهِ بِغَيْرِ عِلْمِهِ . فَهَلْ عَلَىَّ فِي ذَلِكَ مِنْ جُنَاحٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " خُذِي مِنْ مَالِهِ بِالْمَعْرُوفِ مَا يَكْفِيكِ وَيَكْفِي بَنِيكِ " .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন হযরত আয়েশা রাযি.

৪৩২৮। আলী ইবনে হুজর সা’দী (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, হিন্দা বিনতে উতবা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকটে উপস্থিত হয়ে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আবু সুফিয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি। তিনি আমার এবং আমার সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় খরচাদি প্রদান করেন না। তবে আমি তার অজ্ঞাতেই তার সম্পদ থেকে প্রয়োজনীয় খরচাদি গ্রহণ করে থাকি। এতে কি আমার কোন দোষ (পাপ) হবে? তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তুমি তার সম্পদ থেকে তোমার ও তোমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হয় এমন সঙ্গত পরিমাণ নিতে পার।

৪৩২৯

وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَأَبُو كُرَيْبٍ كِلاَهُمَا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَوَكِيعٍ ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، أَخْبَرَنَا الضَّحَّاكُ، - يَعْنِي ابْنَ عُثْمَانَ - كُلُّهُمْ عَنْ هِشَامٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ .

বর্ণনাকারী: হিশাম ইবনে উরওয়া (রহঃ)

৪৩২৯। মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর, আবু কুরাইব, ইয়াহয়া ইবনে ইয়াহয়া ও মুহাম্মাদ ইবনে রাফি (রাহঃ) ......... হিশাম (রাহঃ) এর সূত্রে উক্ত সনদে এ হাদীস বর্ণনা করেন।

৪৩৩০

وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ جَاءَتْ هِنْدٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَاللَّهِ مَا كَانَ عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ أَهْلُ خِبَاءٍ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يُذِلَّهُمُ اللَّهُ مِنْ أَهْلِ خِبَائِكَ وَمَا عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ أَهْلُ خِبَاءٍ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يُعِزَّهُمُ اللَّهُ مِنْ أَهْلِ خِبَائِكَ . فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " وَأَيْضًا وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ " . ثُمَّ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ مُمْسِكٌ فَهَلْ عَلَىَّ حَرَجٌ أَنْ أُنْفِقَ عَلَى عِيَالِهِ مِنْ مَالِهِ بِغَيْرِ إِذْنِهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لاَ حَرَجَ عَلَيْكِ أَنْ تُنْفِقِي عَلَيْهِمْ بِالْمَعْرُوفِ " .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন হযরত আয়েশা রাযি.

৪৩৩০। আব্দ ইবনে হুমাইদ (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হিন্দা (রাযিঃ) নবী (ﷺ) এর নিকট এসে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহর কসম, পৃথিবীর মধ্যে আপনার পরিবার পরিজন থেকে অন্য কোন পরিবার পরিজনের প্রতি আমার এত অধিক আকাঙ্ক্ষা ছিল না যে, তাঁদের আল্লাহ লাঞ্ছিত করুন। আর এখন পৃথিবীর মধ্যে আপনার পবিবার পরিজন থেকে কোন পরিবার পরিজনের প্রতি আমার এত অধিক আকাঙ্ক্ষা নেই যে, আল্লাহ তাদের সম্মান প্রদান করুন।

তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ সেই মহান আল্লাহর শপথ! যার হাতে আমার প্রাণ, তা আরো বৃদ্ধি পাবে। অতঃপর তিনি (হিন্দা) বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আবু সুফিয়ান কৃপণ স্বভাবের লোক। তবে আমি যদি তার বিনা অনুমতিতে তার পরিবার পরিজনের জন্য তার সম্পদ থেকে খরচ করি, এতে কি আমার কোন দোষ হবে? তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ তাদের জন্য তুমি যথাবিধি খরচ করলে কোন দোষ হবে না।
৪৩৩১

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَمِّهِ، أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، قَالَتْ جَاءَتْ هِنْدٌ بِنْتُ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَاللَّهِ مَا كَانَ عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ خِبَاءٌ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يَذِلُّوا مِنْ أَهْلِ خِبَائِكَ وَمَا أَصْبَحَ الْيَوْمَ عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ خِبَاءٌ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يَعِزُّوا مِنْ أَهْلِ خِبَائِكَ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَأَيْضًا وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ " . ثُمَّ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ مِسِّيكٌ فَهَلْ عَلَىَّ حَرَجٌ مِنْ أَنْ أُطْعِمَ مِنَ الَّذِي لَهُ عِيَالَنَا فَقَالَ لَهَا " لاَ إِلاَّ بِالْمَعْرُوفِ " .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন হযরত আয়েশা রাযি.

৪৩৩১। যুহাইর ইবনে হারব (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হিন্দা বিনতে উকবা ইবনে রবীআ, এসে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! পৃথিবীর মধ্যে আপনার পরিবার পরিজন থেকে অন্য কোন পরিবার পরিজন এর প্রতি আমার এত অধিক বাসনা ছিল না যে, তারা লাঞ্ছিত হোক। আর আজ পৃথিবীর মধ্যে আপনার পরিবার পরিজন থেকে অন্য কোন পরিবার পরিজনের প্রতি আমার এত অধিক বাসনা নেই যে, তাঁরা সম্মানিত হউক। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ সেই মহান আল্লাহর কসম যার হাতে আমার জীবন, তা আরো বৃদ্ধি পাবে।

তারপর হিন্দা বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আবু সুফিয়ান একজন কৃপণ স্বভাবের লোক। এমতাবস্থায় আমি যদি আমাদের পরিবার পরিজনকে (যাদের খোরপোষ তার দায়িত্বে তাদেরকে) তার সম্পদ থেকে খাবার প্রদান করি তবে কি এতে আমার কোন দোষ হবে? তিনি বললেন, (তা করবে) না, তবে যদি যথাবিধি হয়।

৪. বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা, প্রাপ্য হক না দেওয়া এবং না হক কিছু চাওয়া নিষিদ্ধ

باب النَّهْيِ عَنْ كَثْرَةِ الْمَسَائِلِ مِنْ غَيْرِ حَاجَةٍ وَالنَّهْيِ عَنْ مَنْعٍ وَهَاتٍ وَهُوَ الاِمْتِنَاعُ مِنْ أَدَاءِ حَقٍّ لَزِمَهُ أَوْ طَلَبُ مَا لاَ يَسْتَحِقُّهُ

৪৩৩২

حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ يَرْضَى لَكُمْ ثَلاَثًا وَيَكْرَهُ لَكُمْ ثَلاَثًا فَيَرْضَى لَكُمْ أَنْ تَعْبُدُوهُ وَلاَ تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا وَأَنْ تَعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلاَ تَفَرَّقُوا وَيَكْرَهُ لَكُمْ قِيلَ وَقَالَ وَكَثْرَةَ السُّؤَالِ وَإِضَاعَةَ الْمَالِ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৪৩৩২। যুহাইর ইবনে হারব (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা তিনটি কাজ পছন্দ করেন এবং তিনটি কাজ অপন্দ করেন। তোমাদের জন্য তিনি যা পছন্দ করেন, তা হলঃ

১. তোমরা তাঁরই ইবাদত করবে, ২. তাঁর সঙ্গে কিছুই শরীক করবে না এবং ৩. তোমরা সকলে আল্লাহর রশি শক্তভাবে ধারণ করবে ও পরস্পর বিচ্ছিন্ন হবে না।

আর যে সকল বিষয় তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেনঃ ১. বাজে কথাবার্তা বলা, ২. অধিক প্রশ্ন করা এবং ৩. সম্পদ বিনষ্ট করা।
৪৩৩৩

وَحَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سُهَيْلٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَيَسْخَطُ لَكُمْ ثَلاَثًا . وَلَمْ يَذْكُرْ وَلاَ تَفَرَّقُوا .

বর্ণনাকারী: সুহায়ল ইবনে আবু সালিহ (রহঃ)

৪৩৩৩। শায়বান ইবনে ফাররুখ (রাহঃ) ......... সুহাইল (রাহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেনঃ ″এবং তিনি তোমাদের প্রতি তিনটি কাজে রাগান্বিত হন।″ ″এবং তোমরা পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না″ কথাটি তিনি উল্লেখ করেননি।

৪৩৩৪

وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ وَرَّادٍ، مَوْلَى الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ حَرَّمَ عَلَيْكُمْ عُقُوقَ الأُمَّهَاتِ وَوَأْدَ الْبَنَاتِ وَمَنْعًا وَهَاتِ وَكَرِهَ لَكُمْ ثَلاَثًا قِيلَ وَقَالَ وَكَثْرَةَ السُّؤَالِ وَإِضَاعَةَ الْمَالِ " .

বর্ণনাকারী: শু'বা ইবনুল হাজ্জাজ (রহঃ)

৪৩৩৪। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম হানযালী (রাহঃ) ......... মুগীরা ইবনে শু’বা সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর হারাম করেছেন মায়ের অবাধ্য হওয়া, কন্যা সন্তান জীবিত অবস্থায় মাটিতে পুঁতে ফেলা এবং অন্যের হক আদায় না করা এবং না-হক কোন বস্তু প্রার্থনা করা। আর তিনটি বিষয় তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেন। তা হলঃ ১. অনর্থক কথাবার্তা বলা, ২. অধিক প্রশ্ন করা এবং ৩. সম্পদ বিনষ্ট করা।

৪৩৩৫

وَحَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ شَيْبَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ . غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَحَرَّمَ عَلَيْكُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . وَلَمْ يَقُلْ إِنَّ اللَّهَ حَرَّمَ عَلَيْكُمْ .

বর্ণনাকারী: মানসুর ইবনে মু'তামির (রহঃ)

৪৩৩৫। কাসিম ইবনে যাকারিয়া (রাহঃ) ......... মানসুর (রাহঃ) থেকে উক্ত সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেন, ″রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তোমাদের উপর হারাম করেছে″। আর “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর হারাম করেছেন” এই বাক্যটি তিনি বলেন নি।

৪৩৩৬

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، حَدَّثَنِي ابْنُ أَشْوَعَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، حَدَّثَنِي كَاتِبُ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ كَتَبَ مُعَاوِيَةُ إِلَى الْمُغِيرَةِ اكْتُبْ إِلَىَّ بِشَىْءٍ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَكَتَبَ إِلَيْهِ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ اللَّهَ كَرِهَ لَكُمْ ثَلاَثًا قِيلَ وَقَالَ وَإِضَاعَةَ الْمَالِ وَكَثْرَةَ السُّؤَالِ " .

বর্ণনাকারী: শা‘বী (রহঃ)

৪৩৩৬। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ......... শা’বী (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন মুগীরা ইবনে শু’বা (রাযিঃ) এর কাতিব লেখক (সচিব) আমাকে বলেছেন যে, মুআবিয়া (রাযিঃ) মুগীরা (রাযিঃ) এর কাছে পত্র লিখলেন যে, আপনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে শুনেছেন, এমন কিছু বিষয় আমাকে লিখে জানান। তখন তিনি তাঁকে লিখলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য তিনটি কাজ অপছন্দ করেনঃ ১. অনর্থক কথা বার্তা বলা, ২. সম্পদ অপচয় করা এবং ৩. অধিক প্রশ্ন করা।

৪৩৩৭

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيُّ، عَنْ وَرَّادٍ، قَالَ كَتَبَ الْمُغِيرَةُ إِلَى مُعَاوِيَةَ سَلاَمٌ عَلَيْكَ أَمَّا بَعْدُ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ اللَّهَ حَرَّمَ ثَلاَثًا وَنَهَى عَنْ ثَلاَثٍ حَرَّمَ عُقُوقَ الْوَالِدِ وَوَأْدَ الْبَنَاتِ وَلاَ وَهَاتِ . وَنَهَى عَنْ ثَلاَثٍ قِيلٍ وَقَالٍ وَكَثْرَةِ السُّؤَالِ وَإِضَاعَةِ الْمَالِ " .

বর্ণনাকারী: ওয়াররাদ -কাতিবে মুগীরা- (রহঃ)

৪৩৩৭। ইবনে আবু উমর (রাহঃ) ......... ওয়াররাদ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুগীরা (রাযিঃ) মুযাবিয়া (রাযিঃ) এর নিকট পত্র লেখেনঃ “আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তিনটি বিষয় হারাম করেছেন এবং তিনটি কাজ নিষিদ্ধ করেছেন। তিনি হারাম করেছেনঃ পিতামাতার অবাধ্যতা, কন্যা সন্তানকে মাটিতে পুঁতে রাখা এবং হক আদায় না করা ও না-হক কিছু প্রার্থনা করা।

আর তিনি তিনটি কাজ নিষিদ্ধ করেছেন, তা হলোঃ ১. অনর্থক কথাবার্তা বলা, ২. অধিক প্রশ্ন করা এবং ৩. মাল-সম্পদ বিনষ্ট করা।

৫. বিচারকের প্রতিদান, প্রচেষ্টার পর সে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছুক বা ভুল করুক

باب بَيَانِ أَجْرِ الْحَاكِمِ إِذَا اجْتَهَدَ فَأَصَابَ أَوْ أَخْطَأَ

৪৩৩৮

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ أُسَامَةَ بْنِ الْهَادِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي قَيْسٍ، مَوْلَى عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ فَاجْتَهَدَ ثُمَّ أَصَابَ فَلَهُ أَجْرَانِ . وَإِذَا حَكَمَ فَاجْتَهَدَ ثُمَّ أَخْطَأَ فَلَهُ أَجْرٌ " .

বর্ণনাকারী: হযরত আমর ইবনুল আস রাযি.

৪৩৩৮। ইয়াহয়া ইবনে ইয়াহয়া তামিমী (রাহঃ) ......... আমর ইবনে আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছেন, যদি কোন বিচারক যথাযথ চিন্তা-গবেষণার পর রায় দেন, অতঃপর তিনি সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হন, তার জন্য রয়েছে দু’টি প্রতিদান (দিগুণ সাওয়াব)। আর যদি তিনি চিন্তা-গবেষণা করে রায় প্রদানের সময় ভুল করেন, তবুও তার জন্য রয়েছে একটি প্রতিদান।

৪৩৩৯

وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ، كِلاَهُمَا عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ، مُحَمَّدٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ وَزَادَ فِي عَقِبِ الْحَدِيثِ قَالَ يَزِيدُ فَحَدَّثْتُ هَذَا الْحَدِيثَ أَبَا بَكْرِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ فَقَالَ هَكَذَا حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৪৩৩৯। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনে আবু উমর (রাহঃ) আব্দুল আযীয ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) এর সূত্রে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং হাদীসের শেষাংশে আরো উল্লেখ করেছেন, রাবী ইয়াযীদ বলেন, আমি হাদীসটি আবু বকর ইবনে আমর ইবনে হাযম (রাহঃ) এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন যে, আমার কাছে আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে আবু সালামা এরূপ হাদীস বলেছেন।

৪৩৪০

وَحَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ، أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ الدِّمَشْقِيَّ - حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُسَامَةَ بْنِ الْهَادِ اللَّيْثِيُّ، بِهَذَا الْحَدِيثِ مِثْلَ رِوَايَةِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ بِالإِسْنَادَيْنِ جَمِيعًا .

বর্ণনাকারী: ইয়াযীদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে শিখখীর (রহঃ)

৪৩৪০। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান দারিমী (রাহঃ) ......... ইয়াযিদ ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) এর সূত্রে হাদীসটি উভয় সূত্রে আব্দুল আযীয ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) এর বর্ণিত রেওয়াতের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

৬. ক্রোধান্বিত অবস্থায় বিচারকের বিচার করা নিষিদ্ধ

باب كَرَاهَةِ قَضَاءِ الْقَاضِي وَهُوَ غَضْبَانُ

৪৩৪১

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، بْنِ أَبِي بَكْرَةَ . قَالَ كَتَبَ أَبِي - وَكَتَبْتُ لَهُ - إِلَى عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ وَهُوَ قَاضٍ بِسِجِسْتَانَ أَنْ لاَ، تَحْكُمَ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَأَنْتَ غَضْبَانُ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ يَحْكُمْ أَحَدٌ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَهُوَ غَضْبَانُ " .

বর্ণনাকারী: আব্দুর রহমান ইবনে আবু বাকরা (রহঃ)

৪৩৪১। কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... আব্দুর রহমান ইবনে আবু বাকরা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমার পিতা সিজিস্তানের বিচারক আব্দুল্লাহ ইবনে আবু বাকরা (রাহঃ) কে একটি পত্র লিখলেন (তার পক্ষে আমি লিখে দিলাম) যে, আপনি রাগাম্বিত অবস্থায় দু’জনের মধ্যে বিচার করবেন না। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি যে, কোন বিচারক যেন রাগাম্বিত অবস্থায় দু’জনের মধ্যে বিচার না করেন।

৪৩৪২

وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، ح وَحَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ، بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي كِلاَهُمَا، عَنْ شُعْبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . بِمِثْلِ حَدِيثِ أَبِي عَوَانَةَ .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু বাকরা (রাঃ)

৪৩৪২। ইয়াহয়া ইবনে ইয়াহয়া, শায়বান ইবনে ফাররুক, আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা, মুহাম্মাদ ইবনে মুসান্না, উবাইদুল্লাহ ইবনে মুআয ও আবু কুরাইব (রাহঃ) ......... আবু বাকরা (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে আবু আওয়ানা (রাহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।

৭. বাতিল সিদ্ধান্ত খণ্ডন ও বিদ’আতী কার্যকলাপ উচ্ছেদ

باب نَقْضِ الأَحْكَامِ الْبَاطِلَةِ وَرَدِّ مُحْدَثَاتِ الأُمُورِ

৪৩৪৩

حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَوْنٍ الْهِلاَلِيُّ جَمِيعًا عَنْ إِبْرَاهِيمَ، بْنِ سَعْدٍ قَالَ ابْنُ الصَّبَّاحِ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ " .

বর্ণনাকারী: উম্মুল মু'মিনীন হযরত আয়েশা রাযি.

৪৩৪৩। আবু জা’ফর মুহাম্মাদ ইবনে সাব্বাহ ও আব্দুল্লাহ ইবনে আওন হিলালী (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের ধর্মীয় ব্যাপারে এমন বিষয় উদ্ভাবন করে যা তাতে নেই, তা পরিত্যাজ্য।

৪৩৪৪

وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي عَامِرٍ، قَالَ عَبْدٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الزُّهْرِيُّ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ سَأَلْتُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ رَجُلٍ، لَهُ ثَلاَثَةُ مَسَاكِنَ فَأَوْصَى بِثُلُثِ كُلِّ مَسْكَنٍ مِنْهَا قَالَ يُجْمَعُ ذَلِكَ كُلُّهُ فِي مَسْكَنٍ وَاحِدٍ ثُمَّ قَالَ أَخْبَرَتْنِي عَائِشَةُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ عَمِلَ عَمَلاً لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ " .

বর্ণনাকারী: কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ (রহঃ)

৪৩৪৪। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম ও আব্দ ইবনে হুমায়দ (রাহঃ) ......... সা’দ ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, যার তিনটি বাসস্থান ছিল। অতঃপর, সে (মৃত্যুকালে) প্রত্যেক বাসস্থানের এক তৃতীয়াংশ দান করার ওসিয়্যাত করে যায়। তিনি বললেন, এ সকল অংশকে এক বাসস্থানে একত্রিত করা হবে। এরপর তিনি বললেন, আমাকে আয়িশা (রাযিঃ) বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এমন কোন কর্ম করলো যা আমাদের ধর্মে নেই, তা প্রত্যাখ্যাত হবে।

৮. উত্তম সাক্ষীগণ

باب بَيَانِ خَيْرِ الشُّهُودِ

৪৩৪৫

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَمْرَةَ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ، الْجُهَنِيِّ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَلاَ أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ الشُّهَدَاءِ الَّذِي يَأْتِي بِشَهَادَتِهِ قَبْلَ أَنْ يُسْأَلَهَا " .

বর্ণনাকারী: যায়দ ইবনে খালিদ জুহানী (রাঃ)

৪৩৪৫। ইয়াহয়া ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) ......... যায়দ ইবনে খালিদ জুহানী (রাহঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) বলেনঃ তোমাদের কি তোমাদের উত্তম সাক্ষীদের সম্পর্কে অবহিত করব না? উত্তম সাক্ষী হল সেই ব্যক্তি, যাকে সাক্ষ্যের জন্য ডাকার আগেই সে সাক্ষ্য দিতে এগিয়ে আসে।

৯. মুজতাহিদগণের মতভেদ সম্পর্কে

باب بَيَانِ اخْتِلاَفِ الْمُجْتَهِدِينَ

৪৩৪৬

حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنِي شَبَابَةُ، حَدَّثَنِي وَرْقَاءُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " بَيْنَمَا امْرَأَتَانِ مَعَهُمَا ابْنَاهُمَا جَاءَ الذِّئْبُ فَذَهَبَ بِابْنِ إِحْدَاهُمَا . فَقَالَتْ هَذِهِ لِصَاحِبَتِهَا إِنَّمَا ذَهَبَ بِابْنِكِ أَنْتِ . وَقَالَتِ الأُخْرَى إِنَّمَا ذَهَبَ بِابْنِكِ . فَتَحَاكَمَتَا إِلَى دَاوُدَ فَقَضَى بِهِ لِلْكُبْرَى فَخَرَجَتَا عَلَى سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ عَلَيْهِمَا السَّلاَمُ فَأَخْبَرَتَاهُ فَقَالَ ائْتُونِي بِالسِّكِّينِ أَشُقُّهُ بَيْنَكُمَا . فَقَالَتِ الصُّغْرَى لاَ يَرْحَمُكَ اللَّهُ هُوَ ابْنُهَا . فَقَضَى بِهِ لِلصُّغْرَى " . قَالَ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَاللَّهِ إِنْ سَمِعْتُ بِالسِّكِّينِ قَطُّ إِلاَّ يَوْمَئِذٍ مَا كُنَّا نَقُولُ إِلاَّ الْمُدْيَةَ .

বর্ণনাকারী: হযরত আবু হুরায়রা রাযি.

৪৩৪৬। যুহাইর ইবনে হারব (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ দু’জন মহিলার তাদের নিজ নিজ ছেলে ছিল। হঠাৎ এক নেকড়ে বাঘ এসে তাদের একজনের ছেলে নিয়ে যায়। তখন তাদের একজন সঙ্গীনীকে বললো, তোমার ছেলেকে (বাঘে) নিয়েছে। আর দ্বিতীয় জন বললো, বরং তোমার ছেলেকে (বাঘে) নিয়েছে। এই নিয়ে পর দু’জন দাউদ (আলাইহিস সালাম) এর নিকট নালিশ নিয়ে গেল। তিনি বয়সে বড় মহিলার পক্ষে সন্তানের রায় দিলেন।

তখন উভয়ে বেরিয়ে সুলাইমান ইবনে দাউদ (আলাইহিস সালাম) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে সে ঘটনা বলল। তিনি বললেন, তোমরা আমার কাছে একটি ছুরি নিয়ে এসো, আমি সন্তানটিকে কেটে উভয়ের মাঝে ভাগ করে দেবো। তখন ছেটি মহিলাটি বললো, না, তা করবেন না। আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন (আমি মেনে নিলাম) ছেলেটি ঐ মহিলারই। তখন তিনি ছোট মহিলার পক্ষে ছেলে প্রদানের রায় দিলেন।

বর্ণনাকারী বলেনঃ আবু হুরায়রা (রাযিঃ) বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি سكين ‘ছুরি’ শব্দটি সেদিন ব্যতীত আর কখনও শুনিনি। আমরা مُدْيَةَ বলতাম।
৪৩৪৭

وَحَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنِي حَفْصٌ، - يَعْنِي ابْنَ مَيْسَرَةَ الصَّنْعَانِيَّ - عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، - وَهُوَ ابْنُ الْقَاسِمِ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَ مَعْنَى حَدِيثِ وَرْقَاءَ .

বর্ণনাকারী: আবুয যিনাদ (রহঃ)

৪৩৪৭ সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ ও উমাইয়া ইবনে বিসতাম (রাহঃ) ......... আবু যিনাদ (রাহঃ) থেকে এই সূত্রে ওয়ারকা (রাযিঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

১০. বিচারক কর্তৃক বিবাদমান দু’দলের মধ্যে সন্ধি করিয়ে দেওয়া উত্তম

باب اسْتِحْبَابِ إِصْلاَحِ الْحَاكِمِ بَيْنَ الْخَصْمَيْنِ

৪৩৪৮

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اشْتَرَى رَجُلٌ مِنْ رَجُلٍ عَقَارًا لَهُ فَوَجَدَ الرَّجُلُ الَّذِي اشْتَرَى الْعَقَارَ فِي عَقَارِهِ جَرَّةً فِيهَا ذَهَبٌ فَقَالَ لَهُ الَّذِي اشْتَرَى الْعَقَارَ خُذْ ذَهَبَكَ مِنِّي إِنَّمَا اشْتَرَيْتُ مِنْكَ الأَرْضَ وَلَمْ أَبْتَعْ مِنْكَ الذَّهَبَ . فَقَالَ الَّذِي شَرَى الأَرْضَ إِنَّمَا بِعْتُكَ الأَرْضَ وَمَا فِيهَا - قَالَ - فَتَحَاكَمَا إِلَى رَجُلٍ فَقَالَ الَّذِي تَحَاكَمَا إِلَيْهِ أَلَكُمَا وَلَدٌ فَقَالَ أَحَدُهُمَا لِي غُلاَمٌ وَقَالَ الآخَرُ لِي جَارِيَةٌ . قَالَ أَنْكِحُوا الْغُلاَمَ الْجَارِيَةَ وَأَنْفِقُوا عَلَى أَنْفُسِكُمَا مِنْهُ وَتَصَدَّقَا " .

বর্ণনাকারী: হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ (রহঃ)

৪৩৪৮ মুহাম্মাদ ইবনে রাফি (রাহঃ) ......... হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ (রাহঃ) বলেন যে, আবু হুরায়রা (রাযিঃ) যে সকল হাদীস আমাদের বর্ণনা করেছেন তার মধ্যে একটি এই যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির নিকট থেকে এক খণ্ড ভূমি ক্রয় করে। যে ব্যক্তি ভূমি ক্রয় করেছিল সে তার কেনা সম্পত্তিতে একটি কলসী পেল। তাতে স্বর্ণ ছিল। যে সম্পত্তি ক্রয় করেছিল সে বিক্রেতাকে বলল, তুমি আমার কাছ থেকে তোমার স্বর্ণ বুঝে নাও। আমি তো তোমার কাছে থেকে ভূমি ক্রয় করেছি, স্বর্ণ খরিদ করিনি। তখন যে ব্যক্তি সম্পতি বিক্রি করেছিল সে বলল, আমি তো তোমার কাছে ভূমি এবং ভূমির মধ্যে যা কিছু আছে সবই বিক্রি করেছি। তিনি বলেন, তারপর উভয়েই এক ব্যক্তির কাছে গিয়ে এর ফয়সালা চাইল। তখন, সে বলল, তোমাদের কি কোন সন্তান আছে? তাদের একজন বলল যে, আমার একটি ছেলে আছে এবং অপর জন বলল, আমার একটি মেয়ে আছে। তখন তিনি বললেন, তোমার ছেলেটিকে মেয়েটির সঙ্গে বিয়ে দাও এবং এ উপলক্ষে তোমরা তোমাদের উপর তা খরচ কর এবং (এ থেকে) সাদ্‌কা কর।