كتاب العيدين

১০. দুই ঈদের অধ্যায়

Chapter 10 · 13 hadith

১. উভয় ঈদে গোসল করা এবং আযান ও ইকামত প্রসঙ্গ

بَاب الْعَمَلِ فِي غُسْلِ الْعِيدَيْنِ وَالنِّدَاءِ فِيهِمَا وَالْإِقَامَةِ

414

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ غَيْرَ وَاحِدٍ مِنْ عُلَمَائِهِمْ يَقُولُ لَمْ يَكُنْ فِي عِيدِ الْفِطْرِ وَلَا فِي الْأَضْحَى نِدَاءٌ وَلَا إِقَامَةٌ مُنْذُ زَمَانِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْيَوْمِ قَالَ مَالِك وَتِلْكَ السُّنَّةُ الَّتِي لَا اخْتِلَافَ فِيهَا عِنْدَنَا

Narrator: মালিক ইবনে আনাস (রহঃ)

রেওয়ায়ত ১. মালিক (রাহঃ) বলেনঃ তিনি অনেক আলিমকে বলিতে শুনিয়াছেন যে, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যুগ হইতে বর্তমান যুগ পর্যন্ত আযান ও ইকামত ছিল না।

মালিক (রাহঃ) বলেনঃ ইহা এমন একটি সুন্নত যাহাতে আমাদের মতে কাহারও দ্বিমত নাই।
415

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَغْتَسِلُ يَوْمَ الْفِطْرِ قَبْلَ أَنْ يَغْدُوَ إِلَى الْمُصَلَّى

Narrator: নাফি‘ (রহঃ)

রেওয়ায়ত ২. নাফি’ (রাহঃ) হইতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাযিঃ) ঈদুল ফিতরের দিন সকালে ঈদগাহে গমনের পূর্বে গোসল করিতেন।

২. উভয় ঈদে খুতবার পূর্বে নামায পড়ার নির্দেশ

بَاب الْأَمْرِ بِالصَّلَاةِ قَبْلَ الْخُطْبَةِ فِي الْعِيدَيْنِ

416

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي يَوْمَ الْفِطْرِ وَيَوْمَ الْأَضْحَى قَبْلَ الْخُطْبَةِ

Narrator: ইবনে শিহাব যুহরী (রহঃ)

রেওয়ায়ত ৩. ইবনে শিহাব (রাহঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে খুতবার পূর্বে নামায পড়িতেন।

417

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ، وَعُمَرَ، كَانَا يَفْعَلاَنِ ذَلِكَ

Narrator: মালিক ইবনে আনাস (রহঃ)

রেওয়ায়ত ৪. মালিক (রাহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবু বকর এবং উমর (রাযিঃ) তাহারা উভয়েই এইরূপ করিতেন।
418

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ مَوْلَى ابْنِ أَزْهَرَ قَالَ شَهِدْتُ الْعِيدَ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَصَلَّى ثُمَّ انْصَرَفَ فَخَطَبَ النَّاسَ فَقَالَ إِنَّ هَذَيْنِ يَوْمَانِ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صِيَامِهِمَا يَوْمُ فِطْرِكُمْ مِنْ صِيَامِكُمْ وَالْآخَرُ يَوْمٌ تَأْكُلُونَ فِيهِ مِنْ نُسُكِكُمْ قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ ثُمَّ شَهِدْتُ الْعِيدَ مَعَ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ فَجَاءَ فَصَلَّى ثُمَّ انْصَرَفَ فَخَطَبَ وَقَالَ إِنَّهُ قَدْ اجْتَمَعَ لَكُمْ فِي يَوْمِكُمْ هَذَا عِيدَانِ فَمَنْ أَحَبَّ مِنْ أَهْلِ الْعَالِيَةِ أَنْ يَنْتَظِرَ الْجُمُعَةَ فَلْيَنْتَظِرْهَا وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَرْجِعَ فَقَدْ أَذِنْتُ لَهُ قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ ثُمَّ شَهِدْتُ الْعِيدَ مَعَ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ وَعُثْمَانُ مَحْصُورٌ فَجَاءَ فَصَلَّى ثُمَّ انْصَرَفَ فَخَطَبَ

Narrator: হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি.

রেওয়ায়ত ৫. ইবনে আযহারের মাওলা আবু উবায়দ (রাহঃ) বলেনঃ আমি ঈদের নামাযে উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ)-এর সাথে শরীক হইয়াছি। তিনি ঈদের নামায পড়াইলেন, অতঃপর (মিম্বরে) আরোহণ করিলেন এবং লোকের উদ্দেশ্যে খুতবা প্রদান করিলেন। খুতবায় তিনি বলিলেনঃ এই দুইটি (ঈদের) দিবস এমন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) উভয় দিবসে রোযা রাখিতে নিষেধ করিয়াছেন, তোমাদের রোযা খোলার (অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের) দিন আর তোমাদের কুরবানীর গোশত আহার করার দিন।

আবু উবায়দ (রাহঃ) বলেনঃ অতঃপর আমি উসমান ইবনে আফফান (রাযিঃ)-এর সাথেও ঈদে হাযির হইয়াছি। তিনি (ঈদগাহে) আসার পর নামায পড়িলেন, তারপর (মুসল্লা হইতে) ফিরিয়া খুতবা প্রদান করিলেন, আজিকার এই দিনে তোমাদের জন্য দুইটি ঈদ একত্র হইয়াছে (শুক্রবার হওয়ার কারণে)। মদীনার বাহিরের লোকেরা ইচ্ছা করিলে জুম’আর নামাযের জন্য অপেক্ষা করিতে পারে অথবা ইচ্ছা করিলে নিজেদের এলাকায় ফিরিয়াও যাইতে পারে, আমি তাহাদিগকে এই অনুমতি দিলাম।

আবু উবায়দ (রাহঃ) বলেনঃ আলী ইবনে আবি তালিব (রাযিঃ)-এর সঙ্গে উপস্থিত ছিলাম, যখন উসমান (রাযিঃ) অবরুদ্ধ ছিলেন। আলী (রাযিঃ) আসিলেন এবং নামায পড়লেন, তারপর লোকদের দিকে মুখ করিলেন ও খুতবা দিলেন।

৩. প্রভাতে ঈদের পূর্বে আহার গ্রহণের নির্দেশ

بَاب الْأَمْرِ بِالْأَكْلِ قَبْلَ الْغُدُوِّ فِي الْعِيدِ

419

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يَأْكُلُ يَوْمَ عِيدِ الْفِطْرِ قَبْلَ أَنْ يَغْدُوَ

Narrator: উরওয়া ইবনে যুবায়র (রহঃ)

রেওয়ায়ত ৬. উরওয়াহ ইবনে যুবায়র (রাহঃ) ঈদুল ফিতরের দিন সকালে ঈদগাহে গমনের পূর্বে আহার গ্রহণ করিতেন।

420
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ النَّاسَ كَانُوا يُؤْمَرُونَ بِالْأَكْلِ يَوْمَ الْفِطْرِ قَبْلَ الْغُدُوِّ قَالَ مَالِك وَلَا أَرَى ذَلِكَ عَلَى النَّاسِ فِي الْأَضْحَى


Narrator: ইবনে শিহাব যুহরী (রহঃ)

রেওয়ায়ত ৭. ইবনে শিহাব (রাহঃ) হইতে বর্ণিত, সাঈদ ইবনে মুসায়্যাব (রাহঃ) তাহাকে অবগত করিয়াছেন যে, (তাহাদের যুগে) ঈদুল ফিতরের দিন লোকজন সকালে ঈদে যাওয়ার পূর্বে কিছু আহার করার জন্য নির্দেশিত হইত।

ইয়াহইয়া (রাহঃ) বলেন- মালিক (রাহঃ) বলিয়াছেনঃ ঈদুল আযহাতে (কুরবানীর ঈদে) লোকের জন্য আমি ইহা প্রয়োজন মনে করি না।

৪. উভয় ঈদের নামাযে কিরাআত ও তকবীরের বর্ণনা

بَاب مَا جَاءَ فِي التَّكْبِيرِ وَالْقِرَاءَةِ فِي صَلَاةِ الْعِيدَيْنِ

421

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ سَعِيدٍ الْمَازِنِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ سَأَلَ أَبَا وَاقِدٍ اللَّيْثِيَّ مَا كَانَ يَقْرَأُ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْأَضْحَى وَالْفِطْرِ فَقَالَ كَانَ يَقْرَأُ بِ ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ وَاقْتَرَبَتْ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ

Narrator: হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি.

রেওয়ায়ত ৮. উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ) আবু ওয়াকিদ লায়সী (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করিলেন, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে রাসূলুল্লাহ্(ﷺ) কোন কোন সূরা পাঠ করিতেন? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পাঠ করিতেন সূরা কাফ ও কামার, এই দুই সূরা।

422

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ شَهِدْتُ الأَضْحَى وَالْفِطْرَ مَعَ أَبِي هُرَيْرَةَ فَكَبَّرَ فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى سَبْعَ تَكْبِيرَاتٍ قَبْلَ الْقِرَاءَةِ وَفِي الآخِرَةِ خَمْسَ تَكْبِيرَاتٍ قَبْلَ الْقِرَاءَةِ . قَالَ مَالِكٌ وَهُوَ الأَمْرُ عِنْدَنَا . قَالَ مَالِكٌ فِي رَجُلٍ وَجَدَ النَّاسَ قَدِ انْصَرَفُوا مِنَ الصَّلاَةِ يَوْمَ الْعِيدِ إِنَّهُ لاَ يَرَى عَلَيْهِ صَلاَةً فِي الْمُصَلَّى وَلاَ فِي بَيْتِهِ وَإِنَّهُ إِنْ صَلَّى فِي الْمُصَلَّى أَوْ فِي بَيْتِهِ لَمْ أَرَ بِذَلِكَ بَأْسًا وَيُكَبِّرُ سَبْعًا فِي الأُولَى قَبْلَ الْقِرَاءَةِ وَخَمْسًا فِي الثَّانِيَةِ قَبْلَ الْقِرَاءَةِ

Narrator: নাফি‘ (রহঃ)

রেওয়ায়ত ৯. নাফি’ (রাহঃ) বলেনঃ আমি আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-এর সাথে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামাযে উপস্থিত হইয়াছি। তিনি কিরাআতের পূর্বে প্রথম রাক'আতে সাতটি তকবীর ও দ্বিতীয় রাক'আতে পাঁচটি তকবীর বলিয়াছেন।

মালিক (রাহঃ) বলেন- আমাদের নিকট ইহাই হুকুম।

ইয়াহইয়া (রাহঃ) বলেন- মালিক (রাহঃ) বলিয়াছেনঃ তাহার মতে যে ব্যক্তি ঈদের দিন লোকজনকে নামায পড়িয়া ফিরিবার কালে পায়, সেই ব্যক্তির জন্য ঈদগাহ অথবা স্বগৃহে ঈদের নামায পড়ার প্রয়োজন নাই। আর যদি সে ঈদগাহে বা নিজ ঘরে ঈদের নামায পড়ে তাহাতেও কোন আপত্তি নাই। সে প্রথম রাক’আতে কিরাআতের পূর্বে সাত তকবীর ও দ্বিতীয় রাক'আতে কিরাআতের পূর্বে পাঁচ তকবীর পাঠ করবে।

৫. উভয় ঈদের আগে ও পরে নামায না পড়া

بَاب تَرْكِ الصَّلَاةِ قَبْلَ الْعِيدَيْنِ وَبَعْدَهُمَا

423
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ لَمْ يَكُنْ يُصَلِّي يَوْمَ الْفِطْرِ قَبْلَ الصَّلَاةِ وَلَا بَعْدَهَا
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ كَانَ يَغْدُو إِلَى الْمُصَلَّى بَعْدَ أَنْ يُصَلِّيَ الصُّبْحَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ

Narrator: নাফি‘ (রহঃ)

রেওয়ায়ত ১০. নাফি’ (রাহঃ) বলেনঃ আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) ঈদুল ফিতরের দিন নামায পড়িতেন না, ঈদের পূর্বেও না এবং পরেও না।

মালিক (রাহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, সাঈদ ইবনে মুসায়্যাব (রাহঃ) ফজরের নামায পড়ার পর সূর্য উদয়ের পূর্বে প্রত্যুষে ঈদগাহে গমন করিতেন।

৬. উভয় ঈদের পূর্বে ও পরে নামায পড়ার অনুমতি

بَاب الرُّخْصَةِ فِي الصَّلَاةِ قَبْلَ الْعِيدَيْنِ وَبَعْدَهُمَا

424

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ أَنَّ أَبَاهُ الْقَاسِمَ كَانَ يُصَلِّي قَبْلَ أَنْ يَغْدُوَ إِلَى الْمُصَلَّى أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ

Narrator: বিবিধ

রেওয়ায়ত ১১. আব্দুর রহমান ইবনে কাসিম (রাহঃ) বলেন, তাহার পিতা কাসিম (রাহঃ) ঈদগাহে গমনের পূর্বে চার রাক'আত নামায পড়িতেন।
425

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي يَوْمَ الْفِطْرِ قَبْلَ الصَّلَاةِ فِي الْمَسْجِدِ

Narrator: হিশাম ইবনে উরওয়া (রহঃ)

রেওয়ায়ত ১২. উরওয়াহ (রাহঃ) বলেন, তাহার পিতা যুবায়র (রাযিঃ) ঈদুল ফিতরের দিন ঈদের নামাযের পূর্বে মসজিদে নামায পড়িতেন।

৭. ইমামের প্রভাতে ঈদগাহে গমন করা ও খুতবার জন্য অপেক্ষা করা

بَاب غُدُوِّ الْإِمَامِ يَوْمَ الْعِيدِ وَانْتِظَارِ الْخُطْبَةِ

426

حَدَّثَنِي يَحْيَى قَالَ مَالِك مَضَتْ السُّنَّةُ الَّتِي لَا اخْتِلَافَ فِيهَا عِنْدَنَا فِي وَقْتِ الْفِطْرِ وَالْأَضْحَى أَنَّ الْإِمَامَ يَخْرُجُ مِنْ مَنْزِلِهِ قَدْرَ مَا يَبْلُغُ مُصَلَّاهُ وَقَدْ حَلَّتْ الصَّلَاةُ قَالَ يَحْيَى وَسُئِلَ مَالِك عَنْ رَجُلٍ صَلَّى مَعَ الْإِمَامِ هَلْ لَهُ أَنْ يَنْصَرِفَ قَبْلَ أَنْ يَسْمَعَ الْخُطْبَةَ فَقَالَ لَا يَنْصَرِفُ حَتَّى يَنْصَرِفَ الْإِمَامُ

Narrator: মালিক ইবনে আনাস (রহঃ)

রেওয়ায়ত ১৩. মালিক (রাহঃ) বলেনঃ আমাদের মধ্যে এই সুন্নত প্রচলিত- যাহাতে দ্বিমত নাই যে, ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের দিন ইমাম স্বীয় মনযিল হইতে এমন সময় বাহির হইবেন, যাহাতে তিনি নামাযের সময় ঈদগাহে পৌছিতে পারেন।

ইয়াহইয়া (রাহঃ) বলেনঃ মালিক (রাহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ঈদুল ফিতরের দিন ইমামের সাথে নামায পড়িয়াছে। সে খুতবা শোনার পূর্বে প্রত্যাবতন করিতে পারে কি? তিনি বলিলেন, না। ইমাম প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত সেই ব্যক্তি প্রত্যাবর্তন করিবে না।